বিজ্ঞানীদের নতুন সতর্কতা অনুযায়ী আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ‘সুপার এল নিনো’ আঘাত হানার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ, যার প্রভাব আগামী নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে দেশের ৪৮টি জেলায় মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তাপপ্রবাহের পুনরাবৃত্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের রেকর্ডভাঙা তাপমাত্রার মধ্যে এল নিনো সক্রিয় হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে, যা বিশ্বের অনেক দেশে তীব্র দাবদাহ এবং অনেক দেশে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত বা বন্যা ডেকে আনবে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস একে জরুরি আবহাওয়া সতর্কতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এল নিনো উষ্ণ বিশ্বের আগুনে আরও তেল ঢালবে এবং সীমান্ত অতিক্রম করবে ধ্বংসাত্মক গতি নিয়ে। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের রক্ষা এবং আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী তীব্র খরা দেখা দিতে পারে এবং খাদ্যের জোগান কমে গিয়ে দাম বেড়ে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২৬ সালের শেষভাগে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এই এল নিনোর কারণে চলতি বছর বিশ্বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হতে পারে, যা এশিয়ায় তীব্র খরা এবং আমেরিকায় অতিবৃষ্টি বয়ে আনবে। স্যাটেলাইট ডেটা সংস্থা স্কাইফাই ইতিমধ্যে এশিয়ার বিভিন্ন অংশে খরার প্রাথমিক লক্ষণ দেখতে পেয়েছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস কমিয়ে দেওয়ায় এবং তীব্র গরমের কারণে সেখানে ধান, সয়াবিন, ডাল, আখ ও ভুট্টার মতো গ্রীষ্মকালীন ফসল রোপণ বিলম্বিত হচ্ছে। একই পরিস্থিতি থাইল্যান্ড ও ফিলিপিন্সেও দেখা দিয়েছে এবং ইন্দোনেশিয়ার জাভায় টানা ১০ দিনের বেশি বৃষ্টি হয়নি, যা বিশ্বের ৪০ শতাংশ চাল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণকারী ভারতসহ সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বিজ্ঞানীদের নতুন সতর্কতা অনুযায়ী আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ‘সুপার এল নিনো’ আঘাত হানার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ, যার প্রভাব আগামী নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে দেশের ৪৮টি জেলায় মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তাপপ্রবাহের পুনরাবৃত্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের রেকর্ডভাঙা তাপমাত্রার মধ্যে এল নিনো সক্রিয় হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে, যা বিশ্বের অনেক দেশে তীব্র দাবদাহ এবং অনেক দেশে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত বা বন্যা ডেকে আনবে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস একে জরুরি আবহাওয়া সতর্কতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এল নিনো উষ্ণ বিশ্বের আগুনে আরও তেল ঢালবে এবং সীমান্ত অতিক্রম করবে ধ্বংসাত্মক গতি নিয়ে। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের রক্ষা এবং আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী তীব্র খরা দেখা দিতে পারে এবং খাদ্যের জোগান কমে গিয়ে দাম বেড়ে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২৬ সালের শেষভাগে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এই এল নিনোর কারণে চলতি বছর বিশ্বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হতে পারে, যা এশিয়ায় তীব্র খরা এবং আমেরিকায় অতিবৃষ্টি বয়ে আনবে। স্যাটেলাইট ডেটা সংস্থা স্কাইফাই ইতিমধ্যে এশিয়ার বিভিন্ন অংশে খরার প্রাথমিক লক্ষণ দেখতে পেয়েছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস কমিয়ে দেওয়ায় এবং তীব্র গরমের কারণে সেখানে ধান, সয়াবিন, ডাল, আখ ও ভুট্টার মতো গ্রীষ্মকালীন ফসল রোপণ বিলম্বিত হচ্ছে। একই পরিস্থিতি থাইল্যান্ড ও ফিলিপিন্সেও দেখা দিয়েছে এবং ইন্দোনেশিয়ার জাভায় টানা ১০ দিনের বেশি বৃষ্টি হয়নি, যা বিশ্বের ৪০ শতাংশ চাল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণকারী ভারতসহ সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

আপনার মতামত লিখুন