সাহারা মরুভূমির তীব্র দাবদাহে নাইজারের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ে। এতে চরম পানিশূন্যতা ও তৃষ্ণায় কাতর হয়ে চালক ও সহকারীসহ অন্তত ৪৯ জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নাইজারের আগাদেজ গভর্নর অফিসের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নিহত ব্যক্তিরা একটি মুসলিম ধর্মীয় উৎসবে যোগ দিতে মালি থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আলজেরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি ‘আসামাকা’ নামক সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে তাদের বহনকারী গাড়িটি নষ্ট হয়ে গেলে তারা চরম পানি সংকটে পড়েন। তীব্র গরমে যাত্রীরা গাড়িটি মেরামতের আপ্রাণ চেষ্টা করলেও দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশ এবং লোকালয় না থাকায় মরুভূমির বুকেই আটকা পড়ে প্রাণ হারান। পরবর্তীতে মৃতদেহগুলোকে মরুভূমির বুকেই গণকবরে দাফন করা হয়েছে।
এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মাঝেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন দুইজন যাত্রী। তারা জীবন বাঁচাতে জ্বলন্ত মরুভূমির মধ্য দিয়ে পায়ে হেঁটে প্রায় ৫০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে একটি পানির উৎসের সন্ধান পান। সেখান থেকে পরবর্তীতে তারা আসামাকা সীমান্ত চৌকিতে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং স্থানীয় প্রশাসনকে পুরো বিষয়টি অবহিত করেন।
উল্লেখ্য, সাহারা মরুভূমির এই দুর্গম অঞ্চলটি আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছরই এই অঞ্চলে প্রখর রোদ, তীব্র গরম এবং খাবার ও পানির অভাবে অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
সাহারা মরুভূমির তীব্র দাবদাহে নাইজারের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ে। এতে চরম পানিশূন্যতা ও তৃষ্ণায় কাতর হয়ে চালক ও সহকারীসহ অন্তত ৪৯ জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নাইজারের আগাদেজ গভর্নর অফিসের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নিহত ব্যক্তিরা একটি মুসলিম ধর্মীয় উৎসবে যোগ দিতে মালি থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে আলজেরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি ‘আসামাকা’ নামক সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে তাদের বহনকারী গাড়িটি নষ্ট হয়ে গেলে তারা চরম পানি সংকটে পড়েন। তীব্র গরমে যাত্রীরা গাড়িটি মেরামতের আপ্রাণ চেষ্টা করলেও দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশ এবং লোকালয় না থাকায় মরুভূমির বুকেই আটকা পড়ে প্রাণ হারান। পরবর্তীতে মৃতদেহগুলোকে মরুভূমির বুকেই গণকবরে দাফন করা হয়েছে।
এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মাঝেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন দুইজন যাত্রী। তারা জীবন বাঁচাতে জ্বলন্ত মরুভূমির মধ্য দিয়ে পায়ে হেঁটে প্রায় ৫০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে একটি পানির উৎসের সন্ধান পান। সেখান থেকে পরবর্তীতে তারা আসামাকা সীমান্ত চৌকিতে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং স্থানীয় প্রশাসনকে পুরো বিষয়টি অবহিত করেন।
উল্লেখ্য, সাহারা মরুভূমির এই দুর্গম অঞ্চলটি আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছরই এই অঞ্চলে প্রখর রোদ, তীব্র গরম এবং খাবার ও পানির অভাবে অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন