মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও নির্দেশনা উপেক্ষা করে ইউক্রেনকে সহায়তা প্রদান এবং রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিল পাস করেছে দেশের প্রতিনিধি পরিষদ। ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এই বিলটি স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ২২৬-১৯৫ ভোটে পাস হয়, যা ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে কিছু রিপাবলিকান সদস্যের অবস্থান নেওয়ার নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভোটাভুটিতে ১৮ জন রিপাবলিকান এবং একজন স্বতন্ত্র সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে একমত হয়ে বিলটির পক্ষে ভোট দেন। এর একদিন আগে প্রতিনিধি পরিষদে আরেকটি প্রস্তাব পাস হয়, যেখানে কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দিলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্ত মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলহা স্টেফানিশিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই সিদ্ধান্তকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ ও ইউক্রেনের প্রতি দুই দলের অব্যাহত সমর্থনের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছেন।
পাস হওয়া এই বিলে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের জন্য ইউক্রেনকে সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে কিয়েভের জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা এবং সরাসরি ঋণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৮ বিলিয়ন ডলার সমর্থনের অনুমোদন রয়েছে। এ ছাড়া রাশিয়ার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি ও খনি খাত এবং দেশটির বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের বিধানও রাখা হয়েছে এই বিলে।
তবে বিলটির ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত, কারণ আইনে পরিণত হতে হলে এটি মার্কিন সিনেটেও পাস হতে হবে। সিনেটের রিপাবলিকান নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ভোটের অনুমতি দেয়নি এবং এ বিষয়ে তারা ট্রাম্পের নির্দেশনার অপেক্ষা করার কথা জানিয়েছে। সিনেটে পাস হলেও ট্রাম্প এই বিলে ভেটো দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের পরিবর্তে নিজের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছেন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও নির্দেশনা উপেক্ষা করে ইউক্রেনকে সহায়তা প্রদান এবং রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিল পাস করেছে দেশের প্রতিনিধি পরিষদ। ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এই বিলটি স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ২২৬-১৯৫ ভোটে পাস হয়, যা ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে কিছু রিপাবলিকান সদস্যের অবস্থান নেওয়ার নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভোটাভুটিতে ১৮ জন রিপাবলিকান এবং একজন স্বতন্ত্র সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে একমত হয়ে বিলটির পক্ষে ভোট দেন। এর একদিন আগে প্রতিনিধি পরিষদে আরেকটি প্রস্তাব পাস হয়, যেখানে কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দিলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্ত মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলহা স্টেফানিশিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই সিদ্ধান্তকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ ও ইউক্রেনের প্রতি দুই দলের অব্যাহত সমর্থনের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছেন।
পাস হওয়া এই বিলে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের জন্য ইউক্রেনকে সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে কিয়েভের জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা এবং সরাসরি ঋণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৮ বিলিয়ন ডলার সমর্থনের অনুমোদন রয়েছে। এ ছাড়া রাশিয়ার আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি ও খনি খাত এবং দেশটির বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের বিধানও রাখা হয়েছে এই বিলে।
তবে বিলটির ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত, কারণ আইনে পরিণত হতে হলে এটি মার্কিন সিনেটেও পাস হতে হবে। সিনেটের রিপাবলিকান নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ভোটের অনুমতি দেয়নি এবং এ বিষয়ে তারা ট্রাম্পের নির্দেশনার অপেক্ষা করার কথা জানিয়েছে। সিনেটে পাস হলেও ট্রাম্প এই বিলে ভেটো দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের পরিবর্তে নিজের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছেন।

আপনার মতামত লিখুন