ঢাকা নিউজ

ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা, ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের



ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা, ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
ছবি : সংগৃহীত

শনিবার ইরানের উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে যাওয়া ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপের নজরদারি স্থাপনায় এই হামলা চালায়। মার্কিন সূত্র মতে, জাহাজ চলাচলকে লক্ষ্য করে ইরানি ড্রোনগুলো পাঠানো হয়েছিল। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হরমুজ প্রণালিটি ইরান বর্তমানে কার্যত বন্ধ করে রেখেছে।

এদিকে যুদ্ধ থামাতে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চললেও তেহরান তাদের তেল রপ্তানির আটকে থাকা কোটি কোটি ডলার ফেরত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বন্দর অবরোধের অবসান এবং প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে। অন্যদিকে দেশে ক্রমবর্ধমান তেলের দামের কারণে চাপে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এনবিসি-কে জানিয়েছেন, ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে এবং দেশটির মাত্র ২১-২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র এখন অবশিষ্ট রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংঘাত এপ্রিলে সাময়িক বিরতিতে গেলেও সম্প্রতি দুই পক্ষ আবারও একে অপরের স্থাপনায় হামলা শুরু করেছে। পরোক্ষ আলোচনা চলাকালীন এই ধারাবাহিক আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় পরিসরের যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা, ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

শনিবার ইরানের উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে যাওয়া ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপের নজরদারি স্থাপনায় এই হামলা চালায়। মার্কিন সূত্র মতে, জাহাজ চলাচলকে লক্ষ্য করে ইরানি ড্রোনগুলো পাঠানো হয়েছিল। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হরমুজ প্রণালিটি ইরান বর্তমানে কার্যত বন্ধ করে রেখেছে।

এদিকে যুদ্ধ থামাতে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চললেও তেহরান তাদের তেল রপ্তানির আটকে থাকা কোটি কোটি ডলার ফেরত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বন্দর অবরোধের অবসান এবং প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে। অন্যদিকে দেশে ক্রমবর্ধমান তেলের দামের কারণে চাপে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এনবিসি-কে জানিয়েছেন, ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে এবং দেশটির মাত্র ২১-২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র এখন অবশিষ্ট রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংঘাত এপ্রিলে সাময়িক বিরতিতে গেলেও সম্প্রতি দুই পক্ষ আবারও একে অপরের স্থাপনায় হামলা শুরু করেছে। পরোক্ষ আলোচনা চলাকালীন এই ধারাবাহিক আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় পরিসরের যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি করেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ