কলকাতা পৌরসংস্থার (কেএমসি) মেয়র হিসেবে দীর্ঘ আট বছরের মেয়াদ শেষে পদত্যাগ করেছেন ফিরহাদ হাকিম। ২০১৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর তার অন্যতম প্রধান সাফল্য ছিল টালিগঞ্জ, যাদবপুর, বেহালা এবং ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকার তীব্র পানীয় জল সংকট দূরীকরণ। ভূগর্ভস্থ জলের ওপর নির্ভরশীলতা ৬০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তার উদ্যোগে ধাপা জল শোধনাগারের সম্প্রসারণ, গড়িয়ার ঢালাই ব্রিজে নতুন শোধনাগার এবং প্রায় ৪০টি সেমি-আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার ও বুস্টার পাম্পিং স্টেশন নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়, যার একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
পানীয় জলের পাশাপাশি কলকাতার দীর্ঘদিনের জলমগ্নতা সমস্যা দূরীকরণেও বিদায়ী মেয়র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজ্য সরকারের বিশেষ তহবিলে গত তিন বছরে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করা হয়েছে, যার অধীনে একবালপুরের নবাব আলী পার্ক ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশনের কাজ শেষ হয়েছে এবং তারাতলা, গার্ডেনরিচ ও আমহার্স্ট স্ট্রিটে আরও তিনটি পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। তবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার গৃহীত স্বপ্নের প্রকল্প ‘হৃষিকেশ পার্ক ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন’-এর উদ্বোধনকালে মেয়র পদে থাকতে না পারায় তিনি কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেন।
শহরের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও ফিরহাদ হাকিম দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রতিদিনের বিপুল পরিমাণ বর্জ্যকে সার, সিএনজি এবং প্লাস্টিকের আসবাবে রূপান্তর করতে তিনি ধাপার আধুনিকীকরণ প্রকল্প অনুমোদন করাসহ ‘নতুন ধাপা’ গড়ে তোলার জন্য রাজ্য অর্থ দপ্তরে তহবিল বরাদ্দের চিঠি পাঠিয়েছেন। জনমুখী উদ্যোগ, ‘টক টু মেয়র’ কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি নাগরিক সংযোগ এবং পরিকাঠামোগত আমূল পরিবর্তনের কারণে বিদায়ী মেয়রের এই দীর্ঘ মেয়াদ কলকাতার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
কলকাতা পৌরসংস্থার (কেএমসি) মেয়র হিসেবে দীর্ঘ আট বছরের মেয়াদ শেষে পদত্যাগ করেছেন ফিরহাদ হাকিম। ২০১৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর তার অন্যতম প্রধান সাফল্য ছিল টালিগঞ্জ, যাদবপুর, বেহালা এবং ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকার তীব্র পানীয় জল সংকট দূরীকরণ। ভূগর্ভস্থ জলের ওপর নির্ভরশীলতা ৬০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তার উদ্যোগে ধাপা জল শোধনাগারের সম্প্রসারণ, গড়িয়ার ঢালাই ব্রিজে নতুন শোধনাগার এবং প্রায় ৪০টি সেমি-আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার ও বুস্টার পাম্পিং স্টেশন নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়, যার একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
পানীয় জলের পাশাপাশি কলকাতার দীর্ঘদিনের জলমগ্নতা সমস্যা দূরীকরণেও বিদায়ী মেয়র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজ্য সরকারের বিশেষ তহবিলে গত তিন বছরে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করা হয়েছে, যার অধীনে একবালপুরের নবাব আলী পার্ক ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশনের কাজ শেষ হয়েছে এবং তারাতলা, গার্ডেনরিচ ও আমহার্স্ট স্ট্রিটে আরও তিনটি পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। তবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার গৃহীত স্বপ্নের প্রকল্প ‘হৃষিকেশ পার্ক ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন’-এর উদ্বোধনকালে মেয়র পদে থাকতে না পারায় তিনি কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেন।
শহরের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও ফিরহাদ হাকিম দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রতিদিনের বিপুল পরিমাণ বর্জ্যকে সার, সিএনজি এবং প্লাস্টিকের আসবাবে রূপান্তর করতে তিনি ধাপার আধুনিকীকরণ প্রকল্প অনুমোদন করাসহ ‘নতুন ধাপা’ গড়ে তোলার জন্য রাজ্য অর্থ দপ্তরে তহবিল বরাদ্দের চিঠি পাঠিয়েছেন। জনমুখী উদ্যোগ, ‘টক টু মেয়র’ কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি নাগরিক সংযোগ এবং পরিকাঠামোগত আমূল পরিবর্তনের কারণে বিদায়ী মেয়রের এই দীর্ঘ মেয়াদ কলকাতার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন