ইরান ও হিজবুল্লাহর তীব্র সমালোচনা করে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন অভিযোগ করেছেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজস্ব আলোচনায় লেবাননকে দাবার ঘুঁটি বা দরকষাকষির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের নিজস্ব স্বার্থের কারণে লেবাননের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে এবং ইসরাইল-হিজবুল্লাহর এই অন্তহীন যুদ্ধে মানুষ এখন পুরোপুরি ক্লান্ত।
গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান মার্কিন ও ইসরাইলি আক্রমণের মুখে পড়লে তেহরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে তিন মাসেরও বেশি সময় আগে এই সংঘাতের সূত্রপাত করেছিল হিজবুল্লাহ। লেবাননের সাম্প্রদায়িক ক্ষমতার বণ্টন নীতি অনুযায়ী ম্যারোনাইট খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং সাবেক সেনাপ্রধান জোসেফ আউন গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এমনকি যুদ্ধের শুরুতে তিনি ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যা হিজবুল্লাহর নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
চলমান সংকটে ইরান শর্ত দিয়েছে যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। এদিকে মার্কিন মধ্যস্থতায় লেবানিজ ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা চুক্তি হলেও গত বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহ তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। চুক্তির মূল শর্ত ছিল হিজবুল্লাহকে যুদ্ধবিরতি মেনে দক্ষিণ লেবানন থেকে যোদ্ধা প্রত্যাহার করতে হবে।
হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এক বিবৃতিতে দাবি করেন যে ওয়াশিংটনের ওই চুক্তিটি লেবাননের জনগণের একটি বড় অংশ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর জবাবে প্রেসিডেন্ট আউন কঠোর ভাষায় বলেন, লেবাননের সাধারণ মানুষ হিজবুল্লাহর নিজস্ব জনগণ নয়। লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, পাশাপাশি ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ লেবাননের একটি বিশাল অংশ দখল করে নিয়েছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ইরান ও হিজবুল্লাহর তীব্র সমালোচনা করে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন অভিযোগ করেছেন, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিজস্ব আলোচনায় লেবাননকে দাবার ঘুঁটি বা দরকষাকষির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের নিজস্ব স্বার্থের কারণে লেবাননের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে এবং ইসরাইল-হিজবুল্লাহর এই অন্তহীন যুদ্ধে মানুষ এখন পুরোপুরি ক্লান্ত।
গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান মার্কিন ও ইসরাইলি আক্রমণের মুখে পড়লে তেহরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে তিন মাসেরও বেশি সময় আগে এই সংঘাতের সূত্রপাত করেছিল হিজবুল্লাহ। লেবাননের সাম্প্রদায়িক ক্ষমতার বণ্টন নীতি অনুযায়ী ম্যারোনাইট খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং সাবেক সেনাপ্রধান জোসেফ আউন গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এমনকি যুদ্ধের শুরুতে তিনি ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যা হিজবুল্লাহর নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
চলমান সংকটে ইরান শর্ত দিয়েছে যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। এদিকে মার্কিন মধ্যস্থতায় লেবানিজ ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা চুক্তি হলেও গত বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহ তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। চুক্তির মূল শর্ত ছিল হিজবুল্লাহকে যুদ্ধবিরতি মেনে দক্ষিণ লেবানন থেকে যোদ্ধা প্রত্যাহার করতে হবে।
হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এক বিবৃতিতে দাবি করেন যে ওয়াশিংটনের ওই চুক্তিটি লেবাননের জনগণের একটি বড় অংশ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর জবাবে প্রেসিডেন্ট আউন কঠোর ভাষায় বলেন, লেবাননের সাধারণ মানুষ হিজবুল্লাহর নিজস্ব জনগণ নয়। লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, পাশাপাশি ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণ লেবাননের একটি বিশাল অংশ দখল করে নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন