তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে সাইবার ঝুঁকি (ডিজিটাল হ্যাজার্ড) ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বড় বিপদ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো ‘ভুয়া খবর’ (ফেক নিউজ) এখন বৈশ্বিক সভ্যতার জন্য অন্যতম প্রধান কৌশলগত চ্যালেঞ্জ। এই সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা এবং অনলাইন নিরাপত্তা (ই-সেফটি) নিশ্চিত করতে দেশের আইসিটি বিশেষজ্ঞদের দ্রুত একটি কার্যকর জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া তৈরি করে তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ) কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ভুয়া খবর মোকাবিলা: নীতি, প্রযুক্তি ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এই বৈঠকে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার মেধা ও প্রযুক্তিভিত্তিক সঠিক নীতিমালা প্রণয়নে বিশেষজ্ঞদের নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় বেশি সম্পৃক্ত করছে।
বিশ্বব্যাপী মেটা, গুগল বা এক্স-এর মতো টেক জায়ান্টদের রেগুলেশনের আওতায় আনার প্রসঙ্গ টেনে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমের তৈরি কনটেন্ট ব্যবহার করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো আয় করলেও রয়্যালটি দিচ্ছে না। অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ও জবাবদিহিতামূলক কাঠামোর মধ্যে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও এ্যাব’র আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন। এছাড়া গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও সাংবাদিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোপাগাণ্ডা চিহ্নিত করার আধুনিক প্রযুক্তিগত টুলস ব্যবহার, মূলধারার গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ডিজিটাল লিটারেসি ছড়িয়ে দেওয়ার সু

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে সাইবার ঝুঁকি (ডিজিটাল হ্যাজার্ড) ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বড় বিপদ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো ‘ভুয়া খবর’ (ফেক নিউজ) এখন বৈশ্বিক সভ্যতার জন্য অন্যতম প্রধান কৌশলগত চ্যালেঞ্জ। এই সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা এবং অনলাইন নিরাপত্তা (ই-সেফটি) নিশ্চিত করতে দেশের আইসিটি বিশেষজ্ঞদের দ্রুত একটি কার্যকর জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া তৈরি করে তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম (এনআইসিটিএফ) কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ভুয়া খবর মোকাবিলা: নীতি, প্রযুক্তি ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এই বৈঠকে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার মেধা ও প্রযুক্তিভিত্তিক সঠিক নীতিমালা প্রণয়নে বিশেষজ্ঞদের নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় বেশি সম্পৃক্ত করছে।
বিশ্বব্যাপী মেটা, গুগল বা এক্স-এর মতো টেক জায়ান্টদের রেগুলেশনের আওতায় আনার প্রসঙ্গ টেনে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমের তৈরি কনটেন্ট ব্যবহার করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো আয় করলেও রয়্যালটি দিচ্ছে না। অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ও জবাবদিহিতামূলক কাঠামোর মধ্যে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও এ্যাব’র আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন। এছাড়া গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও সাংবাদিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোপাগাণ্ডা চিহ্নিত করার আধুনিক প্রযুক্তিগত টুলস ব্যবহার, মূলধারার গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ডিজিটাল লিটারেসি ছড়িয়ে দেওয়ার সু

আপনার মতামত লিখুন