বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে মাগুরার ভাবনহাটি গ্রামে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থক তরুণদের মধ্যে বিশালাকার পতাকা তৈরির এক আনন্দঘন ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে গ্রামের ব্রাজিল সমর্থকরা রাস্তার পাশে গাছ ও বাঁশের সাহায্যে প্রায় ১ হাজার ৩শ হাত দীর্ঘ একটি পতাকা টানিয়ে দিয়েছেন। ব্রাজিল সমর্থক হাসান বিশ্বাস জানান, ২০১৮ সালে ২০০ হাত দিয়ে শুরু করে বিগত আসরে ৭৫০ হাত করা পতাকাটির সাথে এবার নতুন করে আরও ৫০০ হাত কাপড় যুক্ত করে এই দৈর্ঘ্য করা হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের টেক্কা দিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা তৈরি করছেন ২ হাজার ২শ হাত দীর্ঘ এক বিশাল পতাকা, যা নিয়ে শনিবার স্থানীয় বাজারে ফুটবল ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে। আর্জেন্টিনা সমর্থক রাহুল বিশ্বাসের দাবি, বিগত আসরের ১ হাজার ৫শ হাত পতাকার সাথে বাড়তি অংশ যুক্ত করে তৈরি করা এই পতাকাটি শুধু ভাবনহাটি গ্রামেই নয়, বরং পুরো মাগুরা জেলায় আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় পতাকা হবে।
দুই দলের সমর্থকরা আলাদাভাবে এই পতাকার লড়াইয়ে নামলেও তাদের মধ্যে কোনো ধরনের বৈরিতা বা বিভাজন নেই। খেলাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং উভয় পক্ষই জানিয়েছেন যে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো তারা সবাই একসাথে বড় পর্দায় উপভোগ করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মাগুরার এই ব্যতিক্রমী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ফুটবল উন্মাদনা ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে মাগুরার ভাবনহাটি গ্রামে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থক তরুণদের মধ্যে বিশালাকার পতাকা তৈরির এক আনন্দঘন ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে গ্রামের ব্রাজিল সমর্থকরা রাস্তার পাশে গাছ ও বাঁশের সাহায্যে প্রায় ১ হাজার ৩শ হাত দীর্ঘ একটি পতাকা টানিয়ে দিয়েছেন। ব্রাজিল সমর্থক হাসান বিশ্বাস জানান, ২০১৮ সালে ২০০ হাত দিয়ে শুরু করে বিগত আসরে ৭৫০ হাত করা পতাকাটির সাথে এবার নতুন করে আরও ৫০০ হাত কাপড় যুক্ত করে এই দৈর্ঘ্য করা হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের টেক্কা দিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা তৈরি করছেন ২ হাজার ২শ হাত দীর্ঘ এক বিশাল পতাকা, যা নিয়ে শনিবার স্থানীয় বাজারে ফুটবল ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে। আর্জেন্টিনা সমর্থক রাহুল বিশ্বাসের দাবি, বিগত আসরের ১ হাজার ৫শ হাত পতাকার সাথে বাড়তি অংশ যুক্ত করে তৈরি করা এই পতাকাটি শুধু ভাবনহাটি গ্রামেই নয়, বরং পুরো মাগুরা জেলায় আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় পতাকা হবে।
দুই দলের সমর্থকরা আলাদাভাবে এই পতাকার লড়াইয়ে নামলেও তাদের মধ্যে কোনো ধরনের বৈরিতা বা বিভাজন নেই। খেলাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং উভয় পক্ষই জানিয়েছেন যে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো তারা সবাই একসাথে বড় পর্দায় উপভোগ করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মাগুরার এই ব্যতিক্রমী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ফুটবল উন্মাদনা ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন