ফিলিস্তিনের গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলের এল দোরা শিশু হাসপাতালের আশপাশে ট্যাংক ও কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে আকস্মিক গুলি ছুঁড়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। স্থানীয় সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালটির আশপাশে হঠাৎ করেই তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়, যা পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এল দোরা শিশু হাসপাতালটি এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যাকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী ‘ইয়েলো জোন’ বা ‘হলুদ অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছে। স্থানীয় সূত্র মতে, এই ধরনের অঞ্চলগুলো সাধারণত ইসরাইলি সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য নির্ধারিত থাকে অথবা সেখানে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
এই গোলাগুলির ঘটনায় হাসপাতালটিতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতালের একেবারে নিকটবর্তী এলাকায় এমন আকস্মিক হামলার কারণে চিকিৎসাধীন শিশু রোগী, তাদের স্বজন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসাকর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ফিলিস্তিনের গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলের এল দোরা শিশু হাসপাতালের আশপাশে ট্যাংক ও কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে আকস্মিক গুলি ছুঁড়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। স্থানীয় সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালটির আশপাশে হঠাৎ করেই তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়, যা পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এল দোরা শিশু হাসপাতালটি এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যাকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী ‘ইয়েলো জোন’ বা ‘হলুদ অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছে। স্থানীয় সূত্র মতে, এই ধরনের অঞ্চলগুলো সাধারণত ইসরাইলি সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য নির্ধারিত থাকে অথবা সেখানে ফিলিস্তিনিদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
এই গোলাগুলির ঘটনায় হাসপাতালটিতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতালের একেবারে নিকটবর্তী এলাকায় এমন আকস্মিক হামলার কারণে চিকিৎসাধীন শিশু রোগী, তাদের স্বজন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসাকর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন