লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল রোডলফ হাইকাল এক রাষ্ট্রীয় সফরে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) তিনি ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে বৈরুত ত্যাগ করেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ আসিম মুনিরের আমন্ত্রণে তিনি এই সফরে গেছেন বলে লেবানন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট মেয়াদ বা বিস্তারিত কর্মসূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কিছু জানানো হয়নি। লেবানন সেনাপ্রধানের এই সফরটি এমন এক জটিল সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ইসরাইল বৈরুতে অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৯৩ জন নিহত এবং ১০ হাজার ৯৯০ জন আহত হয়েছেন, যদিও এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। এই কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা। তবে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেছেন, দক্ষিণ লেবানন ও সেখানকার বাসিন্দাদের ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় ইরানের দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। এর মাঝেই গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র, লেবানন ও ইসরাইল ওয়াশিংটনে চার দফা বৈঠক শেষে সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একটি যৌথ অভিপ্রায় ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল রোডলফ হাইকাল এক রাষ্ট্রীয় সফরে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) তিনি ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে বৈরুত ত্যাগ করেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ আসিম মুনিরের আমন্ত্রণে তিনি এই সফরে গেছেন বলে লেবানন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট মেয়াদ বা বিস্তারিত কর্মসূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কিছু জানানো হয়নি। লেবানন সেনাপ্রধানের এই সফরটি এমন এক জটিল সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ইসরাইল বৈরুতে অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৯৩ জন নিহত এবং ১০ হাজার ৯৯০ জন আহত হয়েছেন, যদিও এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। এই কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো লেবাননে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা। তবে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেছেন, দক্ষিণ লেবানন ও সেখানকার বাসিন্দাদের ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় ইরানের দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। এর মাঝেই গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র, লেবানন ও ইসরাইল ওয়াশিংটনে চার দফা বৈঠক শেষে সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একটি যৌথ অভিপ্রায় ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন