ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা সিটিতে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি তাঁবুতে ইসরাইলি বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৬ জুন) গাজা সিটির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চালানো এই হামলায় অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামাস এই ঘটনাকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরেকটি ‘গণহত্যামূলক হামলা’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলি দখলদার বাহিনী শিশু ও নারীদের ওপর এই ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, যা মূলত বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে তাদের চলমান ধ্বংসাত্মক যুদ্ধেরই অংশ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কায়রোতে যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হলো।
হামাসের অভিযোগ, গত বছর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরাইল বারবার গাজায় সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে চুক্তি লঙ্ঘন করে আসছে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনটির মতে, ইসরাইল এই যুদ্ধবিরতিকে শান্তি প্রতিষ্ঠার বদলে ফিলিস্তিনিদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই ধারাবাহিক হামলা প্রমাণ করে যে, দখলদার ইসরাইল এই চুক্তিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিতে এবং শেষ পর্যন্ত তা পুরোপুরি ভেঙে ফেলতেই কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা সিটিতে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি তাঁবুতে ইসরাইলি বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৬ জুন) গাজা সিটির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে চালানো এই হামলায় অন্তত পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামাস এই ঘটনাকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরেকটি ‘গণহত্যামূলক হামলা’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলি দখলদার বাহিনী শিশু ও নারীদের ওপর এই ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, যা মূলত বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে তাদের চলমান ধ্বংসাত্মক যুদ্ধেরই অংশ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কায়রোতে যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হলো।
হামাসের অভিযোগ, গত বছর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরাইল বারবার গাজায় সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে চুক্তি লঙ্ঘন করে আসছে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনটির মতে, ইসরাইল এই যুদ্ধবিরতিকে শান্তি প্রতিষ্ঠার বদলে ফিলিস্তিনিদের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই ধারাবাহিক হামলা প্রমাণ করে যে, দখলদার ইসরাইল এই চুক্তিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিতে এবং শেষ পর্যন্ত তা পুরোপুরি ভেঙে ফেলতেই কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন