প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কক্সবাজার সফরে এসেই বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর সকাল ১০টার দিকে তিনি ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন, যেখানে ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহম্মদ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং এই উপলক্ষে সকাল থেকেই কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাতলী খাল পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী যে ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, পিএমখালীর পাতলী খালটি তারই অন্যতম সাক্ষী। ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে এই খাল খননের উদ্বোধন করেছিলেন।
কক্সবাজারের এই স্থানীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি বৃহৎ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর প্রথম দফায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধু খাল খননই নয়, পরিবেশ রক্ষায় খালের পাড় সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দিনভর নানা কর্মসূচি শেষ করে রাতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর কক্সবাজার সফরে এসেই বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর সকাল ১০টার দিকে তিনি ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন, যেখানে ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহম্মদ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং এই উপলক্ষে সকাল থেকেই কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাতলী খাল পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী যে ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, পিএমখালীর পাতলী খালটি তারই অন্যতম সাক্ষী। ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে এই খাল খননের উদ্বোধন করেছিলেন।
কক্সবাজারের এই স্থানীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি বৃহৎ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর প্রথম দফায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, শুধু খাল খননই নয়, পরিবেশ রক্ষায় খালের পাড় সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দিনভর নানা কর্মসূচি শেষ করে রাতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আপনার মতামত লিখুন