২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের 'সি' গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়া দুই দল— ৫২ বছর পর ফেরা হাইতি এবং ২৮ বছর পর অংশ নেওয়া স্কটল্যান্ড। শক্তির বিচারে এই ম্যাচে স্কটিশরাই ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামে।
ম্যাচের ৩০ মিনিটের মাথায় কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্কটল্যান্ড। চে অ্যাডামসের গতিময় দৌড় হাইতির রক্ষণভাগকে এলোমেলো করে দিলেও তিনি নিজে নিচু ক্রস থেকে বলের নাগাল পাননি। তবে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে যান জন ম্যাকগিন, যার দারুণ শট সরাসরি হাইতির জাল কাঁপায়। এই গোলের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে গোলের দেখা পায় স্কটল্যান্ড এবং ম্যাকগিন বনে যান দলের ত্রাতা।
তবে গোল হজম করার পর হাইতি দমে না গিয়ে উল্টো দুর্দান্ত সব পাল্টা আক্রমণে স্কটিশ রক্ষণভাগকে চেপে ধরে। মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে তারা দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করে:
৩৪ মিনিটে: বাম দিক থেকে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে জোরালো শট নেন হাইতির প্রভিডেন্স। স্কটিশ গোলরক্ষক গান বলটি ঠিকমতো গ্লাভসে নিতে না পারলে ৬ গজের মধ্যে থাকা ইসিদোর ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ মুহূর্তে হেন্ড্রি এসে বল ক্লিয়ার করে স্কটল্যান্ডকে রক্ষা করেন।
৩৭ মিনিটে: মিডফিল্ডে বেলেগার্দের কাছে বল হারান স্কটল্যান্ডের গোলদাতা ম্যাকগিন। বল পেয়ে প্রভিডেন্স শট নেওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে হিকি এসে দারুণ দক্ষতায় বিপদ নসাৎ করেন।
ম্যাচে স্কটল্যান্ড বল দখলে রাখার চেষ্টা করলেও হাইতির গতিময় কাউন্টার অ্যাটাকগুলো বারবার ভীতি ছড়াচ্ছে স্কটিশ ডিফেন্সে। তবে প্রথমার্ধের বাকি সময় স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ সফলভাবে হাইতির আক্রমণগুলো সামলে নেওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গেছে স্কটিশরা।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের 'সি' গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়া দুই দল— ৫২ বছর পর ফেরা হাইতি এবং ২৮ বছর পর অংশ নেওয়া স্কটল্যান্ড। শক্তির বিচারে এই ম্যাচে স্কটিশরাই ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামে।
ম্যাচের ৩০ মিনিটের মাথায় কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় স্কটল্যান্ড। চে অ্যাডামসের গতিময় দৌড় হাইতির রক্ষণভাগকে এলোমেলো করে দিলেও তিনি নিজে নিচু ক্রস থেকে বলের নাগাল পাননি। তবে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে যান জন ম্যাকগিন, যার দারুণ শট সরাসরি হাইতির জাল কাঁপায়। এই গোলের মাধ্যমে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে গোলের দেখা পায় স্কটল্যান্ড এবং ম্যাকগিন বনে যান দলের ত্রাতা।
তবে গোল হজম করার পর হাইতি দমে না গিয়ে উল্টো দুর্দান্ত সব পাল্টা আক্রমণে স্কটিশ রক্ষণভাগকে চেপে ধরে। মাত্র ৩ মিনিটের ব্যবধানে তারা দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করে:
৩৪ মিনিটে: বাম দিক থেকে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে জোরালো শট নেন হাইতির প্রভিডেন্স। স্কটিশ গোলরক্ষক গান বলটি ঠিকমতো গ্লাভসে নিতে না পারলে ৬ গজের মধ্যে থাকা ইসিদোর ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ মুহূর্তে হেন্ড্রি এসে বল ক্লিয়ার করে স্কটল্যান্ডকে রক্ষা করেন।
৩৭ মিনিটে: মিডফিল্ডে বেলেগার্দের কাছে বল হারান স্কটল্যান্ডের গোলদাতা ম্যাকগিন। বল পেয়ে প্রভিডেন্স শট নেওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে হিকি এসে দারুণ দক্ষতায় বিপদ নসাৎ করেন।
ম্যাচে স্কটল্যান্ড বল দখলে রাখার চেষ্টা করলেও হাইতির গতিময় কাউন্টার অ্যাটাকগুলো বারবার ভীতি ছড়াচ্ছে স্কটিশ ডিফেন্সে। তবে প্রথমার্ধের বাকি সময় স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ সফলভাবে হাইতির আক্রমণগুলো সামলে নেওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গেছে স্কটিশরা।

আপনার মতামত লিখুন