বৈশ্বিক সংকটের সময়ে সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দাম বাড়লেও, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও এবার বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দামে বড় পতন ঘটেছে। গত জানুয়ারিতে যেখানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার, তা গত শুক্রবার (১২ জুন) নেমে এসেছে ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে চলমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার না কমিয়ে উল্টো তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে—বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এমন শঙ্কা তৈরি হওয়াতেই স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ কমছে। এই মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো হরমুজ প্রণালি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার প্রতিবাদে যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান অবরোধ করে রেখেছে এবং এর ফলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করছে এবং দেশটির চাকরির বাজারও থমকে আছে। ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সুদহার কমানোর সম্ভাবনা খুবই কম, যা স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কারণ উচ্চ সুদের হার থাকলে স্বর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে তার আকর্ষণ হারায় এবং মানুষ তখন ডলারের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে।
স্বর্ণকে মূলত একটি ‘মুনাফাহীন’ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা থেকে কোনো লভ্যাংশ বা বাড়তি আয় আসে না এবং এর মুনাফা কেবল বাজারমূল্য বৃদ্ধির ওপরই নির্ভর করে। আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ সুদহার স্বর্ণকে সরাসরি প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডলার শক্তিশালী অবস্থানে থাকলে স্বর্ণের ওপর এক ধরনের বড় চাপ তৈরি হয়, যার ফলেই বাজারে এই পতন দেখা যাচ্ছে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
বৈশ্বিক সংকটের সময়ে সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের দাম বাড়লেও, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও এবার বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দামে বড় পতন ঘটেছে। গত জানুয়ারিতে যেখানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার, তা গত শুক্রবার (১২ জুন) নেমে এসেছে ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে চলমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার না কমিয়ে উল্টো তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে—বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এমন শঙ্কা তৈরি হওয়াতেই স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ কমছে। এই মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো হরমুজ প্রণালি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার প্রতিবাদে যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান অবরোধ করে রেখেছে এবং এর ফলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করছে এবং দেশটির চাকরির বাজারও থমকে আছে। ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সুদহার কমানোর সম্ভাবনা খুবই কম, যা স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কারণ উচ্চ সুদের হার থাকলে স্বর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে তার আকর্ষণ হারায় এবং মানুষ তখন ডলারের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে।
স্বর্ণকে মূলত একটি ‘মুনাফাহীন’ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা থেকে কোনো লভ্যাংশ বা বাড়তি আয় আসে না এবং এর মুনাফা কেবল বাজারমূল্য বৃদ্ধির ওপরই নির্ভর করে। আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ সুদহার স্বর্ণকে সরাসরি প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডলার শক্তিশালী অবস্থানে থাকলে স্বর্ণের ওপর এক ধরনের বড় চাপ তৈরি হয়, যার ফলেই বাজারে এই পতন দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন