ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’–এ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ইতোমধ্যে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে বার্তা পাঠিয়ে কর্মী ও সমর্থকদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনকে এবার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে কংগ্রেস। সে অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাকে ঘিরে অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ অনেক বেড়েছে, যার মধ্যে নিট পরীক্ষার ঘটনাটি লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মনে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল অভিযোগ করেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের উদাসীনতা তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
পরীক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ কমানো এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবিতে কংগ্রেস যখন আন্দোলনের ছক কষছে, তখন অন্যান্য সংগঠনও এই ইস্যুতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি দিল্লির যন্তর-মন্তরে একটি ছাত্র ও যুবভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কর্মসংস্থান, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও শিক্ষার মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই অসন্তোষ বর্তমানে জাতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। তরুণ ভোটারদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে আগামী কয়েক মাসে এই ইস্যুটি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও বড় রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’–এ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ইতোমধ্যে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে বার্তা পাঠিয়ে কর্মী ও সমর্থকদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনকে এবার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে কংগ্রেস। সে অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
কংগ্রেসের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাকে ঘিরে অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ অনেক বেড়েছে, যার মধ্যে নিট পরীক্ষার ঘটনাটি লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মনে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল অভিযোগ করেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের উদাসীনতা তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
পরীক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ কমানো এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবিতে কংগ্রেস যখন আন্দোলনের ছক কষছে, তখন অন্যান্য সংগঠনও এই ইস্যুতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি দিল্লির যন্তর-মন্তরে একটি ছাত্র ও যুবভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কর্মসংস্থান, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও শিক্ষার মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই অসন্তোষ বর্তমানে জাতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। তরুণ ভোটারদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে আগামী কয়েক মাসে এই ইস্যুটি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও বড় রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন