যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দায়িত্ব পালনকারী সবচেয়ে প্রবীণ প্রেসিডেন্ট হিসেবে এক নজিরবিহীন ও নাটকীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে নিজের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১৪ জুন) হোয়াইট হাউজের দক্ষিণ চত্বরে (সাউথ লন) তিনি একটি খাঁচাবদ্ধ কুস্তি বা কেজ ম্যাচের আয়োজন করেন।
‘ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০’ নামের এই অভূতপূর্ব ইভেন্টে আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের ১৪ জন তারকা ‘দ্য ক্ল’ নামক একটি বিশাল অস্থায়ী অ্যারেনায় আট কোণাবিশিষ্ট তারের জালের খাঁচায় (অক্টাগন) একে অপরের মুখোমুখি হন। প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই আয়োজনটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীর উৎসবের সঙ্গে যুক্ত, যা কাকতালীয়ভাবে ট্রাম্পের ৮০ বছরে পদার্পণের দিনটির সঙ্গেই মিলে যায়। এই খেলা দেখার জন্য সেখানে ৪ হাজারেরও বেশি দর্শকের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং ন্যাশনাল মলে বিশাল স্ক্রিনে খেলা দেখার জন্য প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
আমেরিকার সবচেয়ে বিখ্যাত বাড়ির পেছনের আঙিনায় এমন একটি সহিংস উৎসবের আয়োজন করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। সমালোচকদের মতে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের ওপর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই কঠিন সময়ে এমন বিলাসী ও সহিংস আয়োজন অত্যন্ত সস্তা রুচির পরিচয় দেয়। যদিও হোয়াইট হাউজ এবং ইউএফসির চিফ কনটেন্ট অফিসার ক্রেগ বোরসারি জানিয়েছেন, এই আয়োজনের সম্পূর্ণ খরচ ইউএফসি নিজেই বহন করছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো মিশ্রণ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর ছোঁয়া রাখতে প্রতিটি ম্যাচের মাঝে ঐতিহাসিক বিভিন্ন তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া ছিল সামরিক ব্যান্ডের পারফরম্যান্স, মার্কিন সামরিক বিমান ও প্যারাশুট প্রদর্শনী এবং ১০ মিনিটব্যাপী জমকালো আতশবাজি।
এই পুরুষালি ও জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শনীটি ট্রাম্পের ৮০ বছরে পদার্পণ এবং তার স্বাস্থ্য নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্ন থেকে সাময়িকভাবে মানুষের মনোযোগ ঘুরিয়ে দিয়েছে। ট্রাম্প সবসময়ই নিজেকে ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় অনেক বেশি কর্মক্ষম ও শক্তিশালী হিসেবে জাহির করতে পছন্দ করেন। অবশ্য চলতি সপ্তাহে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, “এই জন্মদিনটি নিয়ে আমি খুব একটা খুশি নই। এই সংখ্যাটি (৮০) আমার পছন্দ নয়, তবে তার পরেও আমি এখানে আছি।”
জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক পিটার লোগে মন্তব্য করেছেন, “তিনি প্রেসিডেন্ট পদটিকেও তার আগের ক্যারিয়ারের মতোই একটি বিশাল, জমকালো শো হিসেবে দেখছেন।”

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দায়িত্ব পালনকারী সবচেয়ে প্রবীণ প্রেসিডেন্ট হিসেবে এক নজিরবিহীন ও নাটকীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে নিজের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (১৪ জুন) হোয়াইট হাউজের দক্ষিণ চত্বরে (সাউথ লন) তিনি একটি খাঁচাবদ্ধ কুস্তি বা কেজ ম্যাচের আয়োজন করেন।
‘ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০’ নামের এই অভূতপূর্ব ইভেন্টে আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের ১৪ জন তারকা ‘দ্য ক্ল’ নামক একটি বিশাল অস্থায়ী অ্যারেনায় আট কোণাবিশিষ্ট তারের জালের খাঁচায় (অক্টাগন) একে অপরের মুখোমুখি হন। প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই আয়োজনটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীর উৎসবের সঙ্গে যুক্ত, যা কাকতালীয়ভাবে ট্রাম্পের ৮০ বছরে পদার্পণের দিনটির সঙ্গেই মিলে যায়। এই খেলা দেখার জন্য সেখানে ৪ হাজারেরও বেশি দর্শকের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং ন্যাশনাল মলে বিশাল স্ক্রিনে খেলা দেখার জন্য প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
আমেরিকার সবচেয়ে বিখ্যাত বাড়ির পেছনের আঙিনায় এমন একটি সহিংস উৎসবের আয়োজন করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প। সমালোচকদের মতে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের ওপর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই কঠিন সময়ে এমন বিলাসী ও সহিংস আয়োজন অত্যন্ত সস্তা রুচির পরিচয় দেয়। যদিও হোয়াইট হাউজ এবং ইউএফসির চিফ কনটেন্ট অফিসার ক্রেগ বোরসারি জানিয়েছেন, এই আয়োজনের সম্পূর্ণ খরচ ইউএফসি নিজেই বহন করছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো মিশ্রণ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর ছোঁয়া রাখতে প্রতিটি ম্যাচের মাঝে ঐতিহাসিক বিভিন্ন তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া ছিল সামরিক ব্যান্ডের পারফরম্যান্স, মার্কিন সামরিক বিমান ও প্যারাশুট প্রদর্শনী এবং ১০ মিনিটব্যাপী জমকালো আতশবাজি।
এই পুরুষালি ও জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শনীটি ট্রাম্পের ৮০ বছরে পদার্পণ এবং তার স্বাস্থ্য নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্ন থেকে সাময়িকভাবে মানুষের মনোযোগ ঘুরিয়ে দিয়েছে। ট্রাম্প সবসময়ই নিজেকে ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় অনেক বেশি কর্মক্ষম ও শক্তিশালী হিসেবে জাহির করতে পছন্দ করেন। অবশ্য চলতি সপ্তাহে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, “এই জন্মদিনটি নিয়ে আমি খুব একটা খুশি নই। এই সংখ্যাটি (৮০) আমার পছন্দ নয়, তবে তার পরেও আমি এখানে আছি।”
জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক পিটার লোগে মন্তব্য করেছেন, “তিনি প্রেসিডেন্ট পদটিকেও তার আগের ক্যারিয়ারের মতোই একটি বিশাল, জমকালো শো হিসেবে দেখছেন।”

আপনার মতামত লিখুন