পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা পাল্টে যাওয়ায় সদরঘাটে লঞ্চের যাত্রী ও ব্যস্ততা কমেছে এবং অনেক শ্রমিকের চোখে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে এই জীবনসংগ্রামের মাঝেই বিশ্বকাপ ফুটবল এলে সদরঘাটের লঞ্চ শ্রমিকদের দিনের ক্লান্তি বদলে যায়। ফুটবল তাদের কাছে শুধু খেলা নয়, বরং কষ্টের জীবনে পাওয়া এক টুকরো আনন্দ, যা তাদের কাজ কমে যাওয়ার চিন্তা, সংসারের হিসাব ও ভবিষ্যতের ভয় কিছু সময়ের জন্য ভুলিয়ে দেয়।
দীর্ঘদিন এই পেশার সঙ্গে জড়িত আবদুল কাদের জানান, আগে সদরঘাটে যে কর্মব্যস্ততা ছিল তা এখন আর নেই, তবে বিশ্বকাপ এলে রাতে খেলা দেখে কিছু সময়ের জন্য সব চিন্তা ভুলে থাকা যায়। আরেক কর্মচারী সেলিম মিয়া ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বকাপ এলে মনে হয় জীবনে এখনো আনন্দের কিছু সময় বাকি আছে। পদ্মা সেতুর পর মানুষ সড়কপথে যাতায়াত করায় অনেক লঞ্চ বন্ধ হয়েছে এবং শ্রমিকদের কাজ কমেছে; তবে বিশ্বকাপের রাতে লঞ্চের ডেক বা ঘাটের চায়ের দোকানে ছোট টেলিভিশনের সামনে শ্রমিকেরা জড়ো হন।
লঞ্চ শ্রমিক রুবেল হোসেন জানান, সারাদিন নদীতে থাকায় তাদের বিনোদনের সুযোগ কম, তাই বিশ্বকাপ এলে মনে হয় তারাও পৃথিবীর বড় একটা উৎসবের অংশ। বয়স্ক শ্রমিক মোতালেব মিয়া ফুটবল ও জীবনের তুলনা করে বলেন, মাঠে যেমন শেষ বাঁশি পর্যন্ত লড়তে হয়, জীবনেও তেমন লড়াই করে যেতে হয়। আগের মতো ব্যস্ততা না থাকলেও নদীপথের এই মানুষগুলো স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি এবং বিশ্বকাপের রাতের উত্তেজনা তাদের চোখে আনন্দ ও আশার আলো জ্বালিয়ে রাখে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা পাল্টে যাওয়ায় সদরঘাটে লঞ্চের যাত্রী ও ব্যস্ততা কমেছে এবং অনেক শ্রমিকের চোখে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে এই জীবনসংগ্রামের মাঝেই বিশ্বকাপ ফুটবল এলে সদরঘাটের লঞ্চ শ্রমিকদের দিনের ক্লান্তি বদলে যায়। ফুটবল তাদের কাছে শুধু খেলা নয়, বরং কষ্টের জীবনে পাওয়া এক টুকরো আনন্দ, যা তাদের কাজ কমে যাওয়ার চিন্তা, সংসারের হিসাব ও ভবিষ্যতের ভয় কিছু সময়ের জন্য ভুলিয়ে দেয়।
দীর্ঘদিন এই পেশার সঙ্গে জড়িত আবদুল কাদের জানান, আগে সদরঘাটে যে কর্মব্যস্ততা ছিল তা এখন আর নেই, তবে বিশ্বকাপ এলে রাতে খেলা দেখে কিছু সময়ের জন্য সব চিন্তা ভুলে থাকা যায়। আরেক কর্মচারী সেলিম মিয়া ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বকাপ এলে মনে হয় জীবনে এখনো আনন্দের কিছু সময় বাকি আছে। পদ্মা সেতুর পর মানুষ সড়কপথে যাতায়াত করায় অনেক লঞ্চ বন্ধ হয়েছে এবং শ্রমিকদের কাজ কমেছে; তবে বিশ্বকাপের রাতে লঞ্চের ডেক বা ঘাটের চায়ের দোকানে ছোট টেলিভিশনের সামনে শ্রমিকেরা জড়ো হন।
লঞ্চ শ্রমিক রুবেল হোসেন জানান, সারাদিন নদীতে থাকায় তাদের বিনোদনের সুযোগ কম, তাই বিশ্বকাপ এলে মনে হয় তারাও পৃথিবীর বড় একটা উৎসবের অংশ। বয়স্ক শ্রমিক মোতালেব মিয়া ফুটবল ও জীবনের তুলনা করে বলেন, মাঠে যেমন শেষ বাঁশি পর্যন্ত লড়তে হয়, জীবনেও তেমন লড়াই করে যেতে হয়। আগের মতো ব্যস্ততা না থাকলেও নদীপথের এই মানুষগুলো স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি এবং বিশ্বকাপের রাতের উত্তেজনা তাদের চোখে আনন্দ ও আশার আলো জ্বালিয়ে রাখে।

আপনার মতামত লিখুন