ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেকেই দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে নিজের দল কেন্টকে ১৪০ রানের বড় জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের তারকা পেসার হাসান মাহমুদ। ম্যাচজুড়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের ব্যাটসম্যানদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ৯টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
সাকিব আল হাসানের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলছেন হাসান মাহমুদ। এই দফায় তিনি কেন্টের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলবেন এবং পরবর্তীতে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়া সাপেক্ষে আগামী সেপ্টেম্বরে আরও চারটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। হাসানের আগে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে সাকিব আল হাসান খেলেছিলেন উস্টারশায়ার ও সারের হয়ে।
ব্ল্যাকপুলের স্ট্যানলি পার্কে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে কেন্ট মাত্র ১৭৮ রানে অলআউট হয়েছিল, যেখানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে হাসান ৮ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। এরপর ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রথম ইনিংসে ১৯ ওভার পার হওয়ার পর প্রথমবার বল হাতে পান হাসান। প্রথম ইনিংসে ৬ ওভার বল করে ৩২ রান খরচায় ৩টি উইকেট তুলে নেন তিনি। কিথ ডাজনের দুর্দান্ত বোলিং (৬ উইকেটে ২১ রান) এবং হাসানের এই চমৎকার সহযোগিতায় ল্যাঙ্কাশায়ার প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮৭ রানেই গুটিয়ে যায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রিস বেঞ্জামিনের অনবদ্য সেঞ্চুরি (১০৩) এবং হ্যারি ফিঞ্চের ফিফটির (৮৩) ওপর ভর করে ৩৩২ রান সংগ্রহ করে কেন্ট। ফলে ল্যাঙ্কাশায়ারের সামনে জয়ের জন্য ৪২৪ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড়ায়। এই রান তাড়া করতে নেমে হাসান মাহমুদের গতির মুখে পড়ে ২৮৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় ল্যাঙ্কাশায়ার। দলটির পক্ষে মার্কাস হ্যারিস সর্বোচ্চ ৯১, কিটন জেনিংস ৬১ এবং লিয়াম লিভিংস্টোন ৪৭ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। কেন্টের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে হাসান মাহমুদ একাই ১৬ ওভার বোলিং করে ৬৯ রানের বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ৬টি উইকেট শিকার করেন, যা দলকে এক স্মরণীয় জয় উপহার দেয়।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেকেই দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে নিজের দল কেন্টকে ১৪০ রানের বড় জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের তারকা পেসার হাসান মাহমুদ। ম্যাচজুড়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের ব্যাটসম্যানদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ৯টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
সাকিব আল হাসানের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলছেন হাসান মাহমুদ। এই দফায় তিনি কেন্টের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলবেন এবং পরবর্তীতে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়া সাপেক্ষে আগামী সেপ্টেম্বরে আরও চারটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। হাসানের আগে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে সাকিব আল হাসান খেলেছিলেন উস্টারশায়ার ও সারের হয়ে।
ব্ল্যাকপুলের স্ট্যানলি পার্কে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে কেন্ট মাত্র ১৭৮ রানে অলআউট হয়েছিল, যেখানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে হাসান ৮ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। এরপর ল্যাঙ্কাশায়ারের প্রথম ইনিংসে ১৯ ওভার পার হওয়ার পর প্রথমবার বল হাতে পান হাসান। প্রথম ইনিংসে ৬ ওভার বল করে ৩২ রান খরচায় ৩টি উইকেট তুলে নেন তিনি। কিথ ডাজনের দুর্দান্ত বোলিং (৬ উইকেটে ২১ রান) এবং হাসানের এই চমৎকার সহযোগিতায় ল্যাঙ্কাশায়ার প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮৭ রানেই গুটিয়ে যায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রিস বেঞ্জামিনের অনবদ্য সেঞ্চুরি (১০৩) এবং হ্যারি ফিঞ্চের ফিফটির (৮৩) ওপর ভর করে ৩৩২ রান সংগ্রহ করে কেন্ট। ফলে ল্যাঙ্কাশায়ারের সামনে জয়ের জন্য ৪২৪ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড়ায়। এই রান তাড়া করতে নেমে হাসান মাহমুদের গতির মুখে পড়ে ২৮৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় ল্যাঙ্কাশায়ার। দলটির পক্ষে মার্কাস হ্যারিস সর্বোচ্চ ৯১, কিটন জেনিংস ৬১ এবং লিয়াম লিভিংস্টোন ৪৭ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। কেন্টের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে হাসান মাহমুদ একাই ১৬ ওভার বোলিং করে ৬৯ রানের বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ৬টি উইকেট শিকার করেন, যা দলকে এক স্মরণীয় জয় উপহার দেয়।

আপনার মতামত লিখুন