ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ইকুয়েডরকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়েছে ছোট দ্বীপদেশ কুরাসাও। বিশ্বমঞ্চে এটিই তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট তুলে নেওয়ার অনন্য কীর্তি। প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া কুরাসাও আজ কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে ল্যাটিন আমেরিকার শক্তিশালী দল ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে এক অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইকুয়েডর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। প্রথমার্ধের দ্বিতীয় মিনিটেই তারা একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে। এরপর পুরো প্রথমার্ধ জুড়ে একের পর এক আক্রমণ চালালেও কুরাসাওয়ের অদম্য রক্ষণভাগ ও গোলকিপারের অসাধারণ দক্ষতায় কোনো গোল করতে পারেনি ইকুয়েডর। ফলে গোলশূন্য সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। দুই দলের বক্সেই চলে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। ম্যাচের ৭৫ মিনিট পর্যন্ত কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রম অবিশ্বাস্যভাবে ১৩টি সেভ দিয়ে দলের দুর্গ রক্ষা করেন। অন্যদিকে ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এর্নান গালিন্দেজও কুরাসাওয়ের বাকুনা ভাইদের একটি দুর্দান্ত শট প্রতিহত করেন।
ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়তা আরও বাড়ে। ৮৪ মিনিটে ইকুয়েডরের অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এনার ভালেন্সিয়া কুরাসাও গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট মারেন (অবশ্য রিপ্লেতে দেখা যায় শটের ঠিক আগে একটি ট্যাকলের কারণে বলের পজিশন বদলে গিয়েছিল)। এরপর উইঙ্গার জর্দি কাইসেদোর একটি দারুণ শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে আবারও গোলবঞ্চিত হয় ইকুয়েডর। এবারের বিশ্বকাপে এটি ছিল তাদের চতুর্থবারের মতো বারে লেগে বল ফিরে আসার ঘটনা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে নিজেদের বক্সের চারপাশে ডিফেন্সের 'বাস পার্ক' করে কুরাসাও। শেষ পর্যন্ত ইকুয়েডরের সমস্ত আক্রমণ নসাৎ করে দিয়ে ০-০ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকেটের শিষ্যরা। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে দুই দলের প্রথম আনুষ্ঠানিক দেখাতেই এই ঐতিহাসিক ড্র কুরাসাওকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা এনে দিল।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ইকুয়েডরকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়েছে ছোট দ্বীপদেশ কুরাসাও। বিশ্বমঞ্চে এটিই তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট তুলে নেওয়ার অনন্য কীর্তি। প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া কুরাসাও আজ কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে ল্যাটিন আমেরিকার শক্তিশালী দল ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে এক অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইকুয়েডর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। প্রথমার্ধের দ্বিতীয় মিনিটেই তারা একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে। এরপর পুরো প্রথমার্ধ জুড়ে একের পর এক আক্রমণ চালালেও কুরাসাওয়ের অদম্য রক্ষণভাগ ও গোলকিপারের অসাধারণ দক্ষতায় কোনো গোল করতে পারেনি ইকুয়েডর। ফলে গোলশূন্য সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। দুই দলের বক্সেই চলে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। ম্যাচের ৭৫ মিনিট পর্যন্ত কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলয় রম অবিশ্বাস্যভাবে ১৩টি সেভ দিয়ে দলের দুর্গ রক্ষা করেন। অন্যদিকে ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এর্নান গালিন্দেজও কুরাসাওয়ের বাকুনা ভাইদের একটি দুর্দান্ত শট প্রতিহত করেন।
ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়তা আরও বাড়ে। ৮৪ মিনিটে ইকুয়েডরের অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এনার ভালেন্সিয়া কুরাসাও গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট মারেন (অবশ্য রিপ্লেতে দেখা যায় শটের ঠিক আগে একটি ট্যাকলের কারণে বলের পজিশন বদলে গিয়েছিল)। এরপর উইঙ্গার জর্দি কাইসেদোর একটি দারুণ শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে আবারও গোলবঞ্চিত হয় ইকুয়েডর। এবারের বিশ্বকাপে এটি ছিল তাদের চতুর্থবারের মতো বারে লেগে বল ফিরে আসার ঘটনা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের প্রথম পয়েন্ট পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে নিজেদের বক্সের চারপাশে ডিফেন্সের 'বাস পার্ক' করে কুরাসাও। শেষ পর্যন্ত ইকুয়েডরের সমস্ত আক্রমণ নসাৎ করে দিয়ে ০-০ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকেটের শিষ্যরা। আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে দুই দলের প্রথম আনুষ্ঠানিক দেখাতেই এই ঐতিহাসিক ড্র কুরাসাওকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা এনে দিল।

আপনার মতামত লিখুন