সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ইতিবাচক এবং অত্যন্ত গঠনমূলক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের যৌথ বিবৃতির বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আশাব্যঞ্জক ও ঐতিহাসিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
দুই দেশের যৌথ ঘোষণা অনুযায়ী, এর আগে হওয়া সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় আলোচনা আরও এগিয়ে নিতে পক্ষগুলো কারিগরি বা টেকনিক্যাল পর্যায়ের সংলাপের জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা গঠনে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি পুরো মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার রাজনৈতিক তদারকি করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে প্রধান আলোচকরা নিয়মিত অগ্রগতির বিষয়ে অবহিত করবেন। পারমাণবিক ইস্যু, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পর্যবেক্ষণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে আলাদা আলাদা কর্মীদল (ওয়ার্কিং গ্রুপ) কাজ করবে এবং এই কমিটি আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপে একমত হয়েছে।
কূটনৈতিক এই আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য ভুল বোঝাবুঝি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দুই পক্ষ একটি সরাসরি যোগাযোগ চ্যানেল বা ডিরেক্ট কমিউনিকেশন চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে পাকিস্তান ও কাতারের এই যৌথ বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, দুই দেশের নিরলস মধ্যস্থতার ফলে লেবানন যুদ্ধ শেষ করার পথে উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আরাগচির দাবি অনুযায়ী, এই আলোচনার অংশ হিসেবে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির ওপর থাকা মার্কিন বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে, অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে, কিছু জব্দকৃত আর্থিক সম্পদ মুক্ত করা হয়েছে এবং ইরানের জন্য বড় ধরনের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ইতিবাচক এবং অত্যন্ত গঠনমূলক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের যৌথ বিবৃতির বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আশাব্যঞ্জক ও ঐতিহাসিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
দুই দেশের যৌথ ঘোষণা অনুযায়ী, এর আগে হওয়া সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় আলোচনা আরও এগিয়ে নিতে পক্ষগুলো কারিগরি বা টেকনিক্যাল পর্যায়ের সংলাপের জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা গঠনে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি পুরো মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার রাজনৈতিক তদারকি করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে প্রধান আলোচকরা নিয়মিত অগ্রগতির বিষয়ে অবহিত করবেন। পারমাণবিক ইস্যু, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পর্যবেক্ষণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে আলাদা আলাদা কর্মীদল (ওয়ার্কিং গ্রুপ) কাজ করবে এবং এই কমিটি আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপে একমত হয়েছে।
কূটনৈতিক এই আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য ভুল বোঝাবুঝি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দুই পক্ষ একটি সরাসরি যোগাযোগ চ্যানেল বা ডিরেক্ট কমিউনিকেশন চ্যানেল চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে পাকিস্তান ও কাতারের এই যৌথ বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, দুই দেশের নিরলস মধ্যস্থতার ফলে লেবানন যুদ্ধ শেষ করার পথে উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আরাগচির দাবি অনুযায়ী, এই আলোচনার অংশ হিসেবে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির ওপর থাকা মার্কিন বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে, অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে, কিছু জব্দকৃত আর্থিক সম্পদ মুক্ত করা হয়েছে এবং ইরানের জন্য বড় ধরনের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা চালু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন