ভোলার দৌলতখানে খেতে মহিষ রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহত রাসেলের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তার ক্রয়কৃত দুটি মহিষ একই এলাকার আবিদের নেতৃত্বে আলম ও তার ছেলে রুবেল ঘাসের মাঠ থেকে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মহিষ দুটি বাংলাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে দেওয়া হয়। পরে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ দিলে পুলিশ প্রকৃত মালিক হিসেবে রাসেলের কাছে মহিষ দুটি বুঝিয়ে দেয়।
এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলের মহিষগুলো মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে পরিকল্পিতভাবে আবিদের নেতৃত্বে তার বাবা নুর ইসলামের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে নুর ইসলামের হাতে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। এ সময় রাসেলের মামা ফয়েজকেও এলোপাতাড়ি লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। বর্তমানে তারা দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবিদ ও আলমসহ তাদের সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবিদ ও আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ভোলার দৌলতখানে খেতে মহিষ রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহত রাসেলের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তার ক্রয়কৃত দুটি মহিষ একই এলাকার আবিদের নেতৃত্বে আলম ও তার ছেলে রুবেল ঘাসের মাঠ থেকে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মহিষ দুটি বাংলাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে দেওয়া হয়। পরে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ দিলে পুলিশ প্রকৃত মালিক হিসেবে রাসেলের কাছে মহিষ দুটি বুঝিয়ে দেয়।
এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলের মহিষগুলো মাঠে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে পরিকল্পিতভাবে আবিদের নেতৃত্বে তার বাবা নুর ইসলামের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে নুর ইসলামের হাতে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। এ সময় রাসেলের মামা ফয়েজকেও এলোপাতাড়ি লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। বর্তমানে তারা দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আবিদ ও আলমসহ তাদের সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবিদ ও আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন