ভিয়ারিয়ালের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড নিকোলাস পেপের দুর্দান্ত জোড়া গোলে কুরাসাওকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছে আইভরি কোস্ট। এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে পা রাখলো আফ্রিকার দলটি। ম্যাচজুড়ে কুরাসাও লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও কার্যকর আক্রমণের অভাবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। নকআউট পর্বে আইভরি কোস্টের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হবে ফ্রান্স অথবা নরওয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকা আইভরি কোস্ট সপ্তম মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পায়। ইয়ান দিওমান্দের চাপে কুরাসাওর রক্ষণভাগে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে বল পুনরুদ্ধার করে তিনি পাস বাড়ান পেপের দিকে। আর সেই সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ভিয়ারিয়াল তারকা পেপে। গোল হজমের পর কুরাসাও আক্রমণের চেষ্টা বাড়িয়ে ম্যাচে মোট ১২টি শট নিলেও গোল পোস্টে রাখতে সক্ষম হয় মাত্র তিনটি। অন্যদিকে, আইভরি কোস্ট মাঝমাঠে শারীরিকভাবে শক্তিশালী ইব্রাহিম সাঙ্গারে ও ফ্রাঙ্ক কেসের ওপর ভরসা রেখে রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি দ্রুত পাল্টা আক্রমণে মনোযোগ দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ভাগ্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে ফেলে আইভরি কোস্ট। ইব্রাহিম সাঙ্গারের বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন পেপে। দল ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি হিসেবে কোচ ইমার্স ফে মাঠ থেকে পেপে, বনি ও দিওমান্দেকে তুলে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেন। আফ্রিকান কাপ অব নেশনস জয়ের পর কোচ ইমার্স ফে এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য নিজের ঝুলিতে যোগ করলেন। বর্তমানে আফ্রিকার সেরা দল হিসেবে মরক্কো ছাড়া অন্য কোনো দলকে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা না হলেও শেষ বত্রিশে ফ্রান্স বা নরওয়ের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে আইভরি কোস্টকে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ভিয়ারিয়ালের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড নিকোলাস পেপের দুর্দান্ত জোড়া গোলে কুরাসাওকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছে আইভরি কোস্ট। এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে পা রাখলো আফ্রিকার দলটি। ম্যাচজুড়ে কুরাসাও লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও কার্যকর আক্রমণের অভাবে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। নকআউট পর্বে আইভরি কোস্টের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হবে ফ্রান্স অথবা নরওয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকা আইভরি কোস্ট সপ্তম মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পায়। ইয়ান দিওমান্দের চাপে কুরাসাওর রক্ষণভাগে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে বল পুনরুদ্ধার করে তিনি পাস বাড়ান পেপের দিকে। আর সেই সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ভিয়ারিয়াল তারকা পেপে। গোল হজমের পর কুরাসাও আক্রমণের চেষ্টা বাড়িয়ে ম্যাচে মোট ১২টি শট নিলেও গোল পোস্টে রাখতে সক্ষম হয় মাত্র তিনটি। অন্যদিকে, আইভরি কোস্ট মাঝমাঠে শারীরিকভাবে শক্তিশালী ইব্রাহিম সাঙ্গারে ও ফ্রাঙ্ক কেসের ওপর ভরসা রেখে রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি দ্রুত পাল্টা আক্রমণে মনোযোগ দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ভাগ্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে ফেলে আইভরি কোস্ট। ইব্রাহিম সাঙ্গারের বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন পেপে। দল ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি হিসেবে কোচ ইমার্স ফে মাঠ থেকে পেপে, বনি ও দিওমান্দেকে তুলে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেন। আফ্রিকান কাপ অব নেশনস জয়ের পর কোচ ইমার্স ফে এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য নিজের ঝুলিতে যোগ করলেন। বর্তমানে আফ্রিকার সেরা দল হিসেবে মরক্কো ছাড়া অন্য কোনো দলকে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা না হলেও শেষ বত্রিশে ফ্রান্স বা নরওয়ের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে আইভরি কোস্টকে।

আপনার মতামত লিখুন