ব্রাজিল ফুটবলে এখন চলছে নতুন এক 'জুনিয়রের' রাজত্ব। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর চোট কাটিয়ে নেইমার জুনিয়র যখন সেলেসাওদের হলুদ জার্সিতে মাঠে ফিরলেন, ততক্ষণে তার সিংহাসন যেন অন্য কেউ দখল করে নিয়েছে। চোটের কারণে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে যখন ৩৪ বছর বয়সী নেইমার মাঠে নামেন, তখন গ্যালারিজুড়ে 'নেইমার-নেইমার' ধ্বনিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তবে এই প্রত্যাবর্তনের গল্পের আড়ালে আরও বড় সত্য হলো, নেইমারকে ছাড়াও এখন অনায়াসে জিততে পারে ব্রাজিল; কারণ দলের আক্রমণভাগের আলো এখন কেড়ে নিচ্ছেন আরেক জুনিয়র—ভিনিসিয়াস জুনিয়র।
স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ব্রাজিলের হাতের মুঠোয় চলে আসার পর কোচ কার্লো আনচেলোত্তি মাঠে নামান পাঁচ সপ্তাহের চোট কাটিয়ে ফেরা নেইমারকে। ২০২৩ সালের পর এটিই ছিল নেইমারের প্রথম আন্তর্জাতিক এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৪ নম্বর ম্যাচ। সম্প্রতি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট তাকে কটাক্ষ করে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম খেলোয়াড়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নেমে নেইমার যেন সেই সমালোচনারই কড়া জবাব দিলেন।
এক সময় সেলেসাওদের পুরো আক্রমণভাগ নেইমার-নির্ভর হলেও, চলতি বিশ্বকাপে দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। দলের হাল এখন শক্ত হাতে কাঁধে তুলে নিয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোর মতো স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও তার গতি ও চোখধাঁধানো ড্রিবলিং বারবার বিপাকে ফেলেছে স্কটিশ রক্ষণভাগকে। এই ম্যাচেও তিনি দলের হয়ে চমৎকার জোড়া গোল করেছেন।
চলতি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো এবং বিশেষ করে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষের লড়াই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ব্রাজিলের বর্তমান ও ভবিষ্যতের মূল কাণ্ডারী এখন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। অবশ্য নেইমারের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিকতা এখনও দলের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা ও বাড়তি শক্তি। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ঘরে তোলার মিশন নিয়ে আসা ব্রাজিলের এই যাত্রায় নেইমারের ফেরা যেমন বড় খবর, তেমনি বিশ্ব ফুটবল এখন বুঁদ হয়ে আছে নতুন জুনিয়রের জাদুকরী রাজত্বে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ব্রাজিল ফুটবলে এখন চলছে নতুন এক 'জুনিয়রের' রাজত্ব। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর চোট কাটিয়ে নেইমার জুনিয়র যখন সেলেসাওদের হলুদ জার্সিতে মাঠে ফিরলেন, ততক্ষণে তার সিংহাসন যেন অন্য কেউ দখল করে নিয়েছে। চোটের কারণে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে যখন ৩৪ বছর বয়সী নেইমার মাঠে নামেন, তখন গ্যালারিজুড়ে 'নেইমার-নেইমার' ধ্বনিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তবে এই প্রত্যাবর্তনের গল্পের আড়ালে আরও বড় সত্য হলো, নেইমারকে ছাড়াও এখন অনায়াসে জিততে পারে ব্রাজিল; কারণ দলের আক্রমণভাগের আলো এখন কেড়ে নিচ্ছেন আরেক জুনিয়র—ভিনিসিয়াস জুনিয়র।
স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ব্রাজিলের হাতের মুঠোয় চলে আসার পর কোচ কার্লো আনচেলোত্তি মাঠে নামান পাঁচ সপ্তাহের চোট কাটিয়ে ফেরা নেইমারকে। ২০২৩ সালের পর এটিই ছিল নেইমারের প্রথম আন্তর্জাতিক এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৪ নম্বর ম্যাচ। সম্প্রতি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট তাকে কটাক্ষ করে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম খেলোয়াড়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে মাঠে নেমে নেইমার যেন সেই সমালোচনারই কড়া জবাব দিলেন।
এক সময় সেলেসাওদের পুরো আক্রমণভাগ নেইমার-নির্ভর হলেও, চলতি বিশ্বকাপে দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে। দলের হাল এখন শক্ত হাতে কাঁধে তুলে নিয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোর মতো স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেও তার গতি ও চোখধাঁধানো ড্রিবলিং বারবার বিপাকে ফেলেছে স্কটিশ রক্ষণভাগকে। এই ম্যাচেও তিনি দলের হয়ে চমৎকার জোড়া গোল করেছেন।
চলতি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো এবং বিশেষ করে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষের লড়াই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ব্রাজিলের বর্তমান ও ভবিষ্যতের মূল কাণ্ডারী এখন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। অবশ্য নেইমারের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিকতা এখনও দলের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা ও বাড়তি শক্তি। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ঘরে তোলার মিশন নিয়ে আসা ব্রাজিলের এই যাত্রায় নেইমারের ফেরা যেমন বড় খবর, তেমনি বিশ্ব ফুটবল এখন বুঁদ হয়ে আছে নতুন জুনিয়রের জাদুকরী রাজত্বে।

আপনার মতামত লিখুন