ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় সহায়তা করার অভিযোগ তুলে মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডানের বিরুদ্ধে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া এবং বেআইনি আগ্রাসনে অংশ নেওয়ার অভিযোগ এনেছে তেহরান।
মঙ্গলবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি এই বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময়ে জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে এই পত্র পাঠানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রমাণ রয়েছে যে উল্লিখিত দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এসব তথ্য আগেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আমির সাঈদ ইরাভানি তার চিঠিতে বলেন, আগ্রাসীরা ওই দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করেছে এবং কিছু বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অবৈধ হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে। এতে করে দেশগুলো তাদের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ১৯৭৪ সালের সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী আগ্রাসনকারীদের সামরিক সুবিধা দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। ইরান দাবি করেছে, এই দেশগুলো সরাসরি সশস্ত্র হামলায় ইন্ধন জুগিয়েছে এবং এর ফলে হওয়া সব বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির দায়ভার তাদেরই নিতে হবে।
এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম ও বাধ্যবাধকতা চরমভাবে লঙ্ঘন করেছে বলে জানান ইরানি কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে এই ধরনের অন্যায় তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় সহায়তা করার অভিযোগ তুলে মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডানের বিরুদ্ধে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া এবং বেআইনি আগ্রাসনে অংশ নেওয়ার অভিযোগ এনেছে তেহরান।
মঙ্গলবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি এই বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময়ে জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে এই পত্র পাঠানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রমাণ রয়েছে যে উল্লিখিত দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এসব তথ্য আগেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আমির সাঈদ ইরাভানি তার চিঠিতে বলেন, আগ্রাসীরা ওই দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করেছে এবং কিছু বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অবৈধ হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে। এতে করে দেশগুলো তাদের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ১৯৭৪ সালের সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী আগ্রাসনকারীদের সামরিক সুবিধা দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। ইরান দাবি করেছে, এই দেশগুলো সরাসরি সশস্ত্র হামলায় ইন্ধন জুগিয়েছে এবং এর ফলে হওয়া সব বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির দায়ভার তাদেরই নিতে হবে।
এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম ও বাধ্যবাধকতা চরমভাবে লঙ্ঘন করেছে বলে জানান ইরানি কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে এই ধরনের অন্যায় তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন