মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় মার্চ মাসে রাশিয়ার তেল রপ্তানি আয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্যমতে, গত মাসে রাশিয়ার তেল ও পরিশোধিত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ১,৯০০ কোটি ডলারে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর নানা বিধিনিষেধ থাকলেও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে রুশ তেল ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন গত মাসে বেড়ে প্রতিদিন গড়ে ৮৯.৬ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।
কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে আগে রাশিয়াকে অনেক কম দামে তেল বিক্রি করতে হতো। তবে বর্তমানে মার্কিন ছাড়ের সুযোগে তারা বাজারের স্বাভাবিক দামের কাছাকাছি মূল্যে তেল বিক্রি করতে পারছে, যা ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামা আয়কে পুনরায় বড় ব্যবধানে ঘুরিয়ে দিয়েছে।
তবে আয়ের এই উল্লম্ফন সত্ত্বেও রাশিয়ার জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আইইএ। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বন্দর ও তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন বাড়ানো কঠিন হতে পারে এবং পাইপলাইনে হামলার কারণে নির্দিষ্ট কিছু দেশে সরবরাহ এখনো বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার সংঘাতের জেরে তেলের আকাশচুম্বী দাম বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, যা মে মাসের মধ্যে সচল না হলে তেলের চাহিদাতে বড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় মার্চ মাসে রাশিয়ার তেল রপ্তানি আয় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্যমতে, গত মাসে রাশিয়ার তেল ও পরিশোধিত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ১,৯০০ কোটি ডলারে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর নানা বিধিনিষেধ থাকলেও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে রুশ তেল ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন গত মাসে বেড়ে প্রতিদিন গড়ে ৮৯.৬ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।
কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে আগে রাশিয়াকে অনেক কম দামে তেল বিক্রি করতে হতো। তবে বর্তমানে মার্কিন ছাড়ের সুযোগে তারা বাজারের স্বাভাবিক দামের কাছাকাছি মূল্যে তেল বিক্রি করতে পারছে, যা ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামা আয়কে পুনরায় বড় ব্যবধানে ঘুরিয়ে দিয়েছে।
তবে আয়ের এই উল্লম্ফন সত্ত্বেও রাশিয়ার জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আইইএ। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বন্দর ও তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন বাড়ানো কঠিন হতে পারে এবং পাইপলাইনে হামলার কারণে নির্দিষ্ট কিছু দেশে সরবরাহ এখনো বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার সংঘাতের জেরে তেলের আকাশচুম্বী দাম বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, যা মে মাসের মধ্যে সচল না হলে তেলের চাহিদাতে বড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন