উপসাগরীয় অঞ্চল এবং হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে এক ফোনালাপে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনা-র বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
ফোনালাপে আরাগচি বলেন, এই অঞ্চলে আমেরিকার বর্তমান কার্যক্রম পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং এর ফলে ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ নেমে আসতে পারে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার অবস্থান এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য একটি সরাসরি হুমকি। ইরান এই পরিস্থিতিকে সহজভাবে নেবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
জবাবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বর্তমান সংকটের সময়ে ইরানি জনগণের ‘সহনশীলতার’ প্রশংসা করেন। তিনি আরাগচিকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, চলমান সংঘাতের একটি কূটনৈতিক ও চূড়ান্ত সমাধান নিশ্চিত করতে বেইজিং মধ্যস্থতা করতে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথকে কেন্দ্র করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই বেইজিংয়ের সাথে তেহরানের এই উচ্চ পর্যায়ের আলাপচারিতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে আমেরিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ইরান চীনের কূটনৈতিক সমর্থনকে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
উপসাগরীয় অঞ্চল এবং হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে এক ফোনালাপে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনা-র বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
ফোনালাপে আরাগচি বলেন, এই অঞ্চলে আমেরিকার বর্তমান কার্যক্রম পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং এর ফলে ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ নেমে আসতে পারে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার অবস্থান এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য একটি সরাসরি হুমকি। ইরান এই পরিস্থিতিকে সহজভাবে নেবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
জবাবে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বর্তমান সংকটের সময়ে ইরানি জনগণের ‘সহনশীলতার’ প্রশংসা করেন। তিনি আরাগচিকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, চলমান সংঘাতের একটি কূটনৈতিক ও চূড়ান্ত সমাধান নিশ্চিত করতে বেইজিং মধ্যস্থতা করতে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথকে কেন্দ্র করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই বেইজিংয়ের সাথে তেহরানের এই উচ্চ পর্যায়ের আলাপচারিতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে আমেরিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ইরান চীনের কূটনৈতিক সমর্থনকে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন