ভারতে ইসরাইলের প্রতি বিদ্যমান জনসমর্থনকে ‘পাগলামির পর্যায়ের’ বলে বর্ণনা করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরে এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ভারতকে ‘বিশাল শক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে এক ‘অনন্য সম্পর্কের’ কথা তুলে ধরেন।
নেতানিয়াহু বলেন, বিশ্বের অনেক জায়গায় আমাদের বৈধতা নিয়ে সমস্যা আছে, কিন্তু ভারতে নেই। তিনি আরও দাবি করেন, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ভারত থেকেই বর্তমানে তাঁর সবচেয়ে বেশি অনুসরণকারী বা ফলোয়ার রয়েছেন।
ভারতে নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে নেতানিয়াহু এবারই প্রথম গর্ব করেননি, এর আগেও সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন যে ১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারতে ইসরাইল খুবই জনপ্রিয়।
২০১৮ সালে স্ত্রী সারাকে নিয়ে নয়াদিল্লি সফরের স্মৃতি টেনে তিনি সেই সফরকে এক ‘ভালোবাসার উৎসব’ বলে অভিহিত করেন। এর পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরাইল সফর প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, সেখানে মোদিকে অনেক ভালোবাসা দিয়ে বরণ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন ইসরাইলের জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমছে, ঠিক তখনই নেতানিয়াহু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
ভারতে ইসরাইলের প্রতি বিদ্যমান জনসমর্থনকে ‘পাগলামির পর্যায়ের’ বলে বর্ণনা করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরে এক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ভারতকে ‘বিশাল শক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে এক ‘অনন্য সম্পর্কের’ কথা তুলে ধরেন।
নেতানিয়াহু বলেন, বিশ্বের অনেক জায়গায় আমাদের বৈধতা নিয়ে সমস্যা আছে, কিন্তু ভারতে নেই। তিনি আরও দাবি করেন, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ভারত থেকেই বর্তমানে তাঁর সবচেয়ে বেশি অনুসরণকারী বা ফলোয়ার রয়েছেন।
ভারতে নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে নেতানিয়াহু এবারই প্রথম গর্ব করেননি, এর আগেও সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন যে ১৪০ কোটি মানুষের দেশ ভারতে ইসরাইল খুবই জনপ্রিয়।
২০১৮ সালে স্ত্রী সারাকে নিয়ে নয়াদিল্লি সফরের স্মৃতি টেনে তিনি সেই সফরকে এক ‘ভালোবাসার উৎসব’ বলে অভিহিত করেন। এর পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরাইল সফর প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, সেখানে মোদিকে অনেক ভালোবাসা দিয়ে বরণ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যখন ইসরাইলের জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমছে, ঠিক তখনই নেতানিয়াহু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন।

আপনার মতামত লিখুন