ঢাকা নিউজ

ইসলামাবাদেই হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক: হোয়াইট হাউস



ইসলামাবাদেই হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক: হোয়াইট হাউস
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত পরবর্তী দফার আলোচনা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এবং মিডল ইস্ট মনিটর এই খবর প্রকাশ করেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে লেভিট বলেন, ‘পরবর্তী বৈঠকগুলো খুব সম্ভবত আগেরবারের জায়গাতেই (ইসলামাবাদ) অনুষ্ঠিত হবে।’ তিনি পুরো আলোচনা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। লেভিট আরও যোগ করেন, ‘পাকিস্তানিরা চমৎকার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন। চুক্তিটি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তাদের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা ও বন্ধুত্বকে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।’

বর্তমানে পাকিস্তানই এই জটিল রাজনৈতিক ও সামরিক আলোচনার একমাত্র মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জানান, বিশ্বের আরও অনেক দেশ এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার প্রস্তাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন পাকিস্তানের মাধ্যমেই এই যোগাযোগ অব্যাহত রাখা সবচেয়ে কার্যকর হবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে ম্যারাথন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যদিও সেই বৈঠক থেকে কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি, তবে আবারও সেই একই স্থানে আলোচনার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এবং হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা কাটাতে এই পরবর্তী বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


ইসলামাবাদেই হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক: হোয়াইট হাউস

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত পরবর্তী দফার আলোচনা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এবং মিডল ইস্ট মনিটর এই খবর প্রকাশ করেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে লেভিট বলেন, ‘পরবর্তী বৈঠকগুলো খুব সম্ভবত আগেরবারের জায়গাতেই (ইসলামাবাদ) অনুষ্ঠিত হবে।’ তিনি পুরো আলোচনা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। লেভিট আরও যোগ করেন, ‘পাকিস্তানিরা চমৎকার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন। চুক্তিটি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তাদের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা ও বন্ধুত্বকে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।’

বর্তমানে পাকিস্তানই এই জটিল রাজনৈতিক ও সামরিক আলোচনার একমাত্র মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জানান, বিশ্বের আরও অনেক দেশ এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার প্রস্তাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেন পাকিস্তানের মাধ্যমেই এই যোগাযোগ অব্যাহত রাখা সবচেয়ে কার্যকর হবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে ম্যারাথন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যদিও সেই বৈঠক থেকে কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি, তবে আবারও সেই একই স্থানে আলোচনার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এবং হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা কাটাতে এই পরবর্তী বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ