যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের নতুন সম্ভাবনা এবং মার্কিন ডলারের মান কমে যাওয়ার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ৪,৮২১.৪৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারও ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৮৪৪.৪০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলার ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ এখন সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি মার্কিন ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড ০.১ শতাংশ কমেছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্বর্ণের দাম ৪,৯০০ ডলার অতিক্রম করলে তা ৫,০০০ ডলারের মানসিক বাধা স্পর্শ করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি অনড় থাকে তবে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানো হবে। বর্তমানে ইসরায়েলের সঙ্গে শুরু হওয়া যুদ্ধ শেষের পথে বলে তিনি বিশ্বাস করলেও হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধ এখনো কার্যকর রয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছে। মূলত জ্বালানি তেলের অস্থির দাম বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ানোর চাপ তৈরি করায় এই দরপতন ঘটেছিল। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণ নিরাপদ বিনিয়োগ হলেও উচ্চ সুদের হারের কারণে এর চাহিদা কিছুটা কমে যায়।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। স্পট সিলভারের দাম ১.৭ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৮০.৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্লাটিনাম ১.২ শতাংশ এবং প্যালাডিয়াম ০.৯ শতাংশ বেড়ে যথাক্রমে ২,১৩৫.৫৮ ডলার ও ১,৫৮৭.৩৯ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের নতুন সম্ভাবনা এবং মার্কিন ডলারের মান কমে যাওয়ার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ৪,৮২১.৪৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারও ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৮৪৪.৪০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলার ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ এখন সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি মার্কিন ১০ বছরের ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড ০.১ শতাংশ কমেছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্বর্ণের দাম ৪,৯০০ ডলার অতিক্রম করলে তা ৫,০০০ ডলারের মানসিক বাধা স্পর্শ করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি অনড় থাকে তবে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানো হবে। বর্তমানে ইসরায়েলের সঙ্গে শুরু হওয়া যুদ্ধ শেষের পথে বলে তিনি বিশ্বাস করলেও হরমুজ প্রণালীতে নৌ অবরোধ এখনো কার্যকর রয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছে। মূলত জ্বালানি তেলের অস্থির দাম বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার বাড়ানোর চাপ তৈরি করায় এই দরপতন ঘটেছিল। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির সময় স্বর্ণ নিরাপদ বিনিয়োগ হলেও উচ্চ সুদের হারের কারণে এর চাহিদা কিছুটা কমে যায়।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। স্পট সিলভারের দাম ১.৭ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৮০.৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্লাটিনাম ১.২ শতাংশ এবং প্যালাডিয়াম ০.৯ শতাংশ বেড়ে যথাক্রমে ২,১৩৫.৫৮ ডলার ও ১,৫৮৭.৩৯ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন