লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক উপকূলীয় শহর টায়ারে একের পর এক অত্যন্ত হিংস্র ও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। সাধারণত অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এই শহরটির ওপর ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ঢালাও ‘খালি করার’ নির্দেশের পর বেশিরভাগ বাসিন্দাই ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন, যার ফলে পুরো শহরটি এখন প্রায় জনশূন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ এই হামলায় অন্তত চারটি ভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে প্রথম হামলাটি ছিল সবচেয়ে মারাত্মক। সেখানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। হামলার পরপরই আকাশজুড়ে ইসরাইলি ড্রোনের বিকট শব্দ চর্তুদিকে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
টায়ার শহরের পরিস্থিতি এখন এতটাই ভয়াবহ যে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যেও প্রতিনিয়ত মৃত্যুর আতঙ্ক কাজ করছে। শহরের একটি সাময়িক আশ্রয় কেন্দ্রের ঠিক পাশে একটি বিশাল কামানের গোলার অংশ এসে পড়লে সেখানে থাকা বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, যার ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা নারী ও শিশুদের কান্নায় পুরো এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। গত ২ মার্চের পর থেকে টায়ার শহরে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ ও নৃশংস হামলা বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এর আগেও শহরটি একাধিকবার আক্রান্ত হলেও রোববারের হামলার তীব্রতা ছিল নজিরবিহীন।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী লেবাননের জহরানি নদীর উত্তরের বাসিন্দাসহ সবাইকে এলাকা ছেড়ে পালানোর নির্দেশ দিয়ে ঘোষণা করেছে যে সমগ্র দক্ষিণ লেবানন এখন একটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্র। তবে জীবন বাঁচাতে সাধারণ মানুষের এই উত্তরমুখী যাত্রাও মোটেও নিরাপদ নয়। মূল মহাসড়কগুলোতে এবং টায়ার থেকে সিডন যাওয়ার পথে সাধারণ মানুষের যানবাহনগুলোকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে লেবাননের মানুষ যেখানেই আশ্রয়ের খোঁজে যাচ্ছে, সেখানেই তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে মৃত্যু ও ধ্বংস। দক্ষিণ লেবাননে এখন সাধারণ বেসামরিক মানুষের জন্য সুরক্ষার সামান্যতম কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট নেই।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক উপকূলীয় শহর টায়ারে একের পর এক অত্যন্ত হিংস্র ও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। সাধারণত অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এই শহরটির ওপর ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ঢালাও ‘খালি করার’ নির্দেশের পর বেশিরভাগ বাসিন্দাই ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন, যার ফলে পুরো শহরটি এখন প্রায় জনশূন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ এই হামলায় অন্তত চারটি ভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে প্রথম হামলাটি ছিল সবচেয়ে মারাত্মক। সেখানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হানে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। হামলার পরপরই আকাশজুড়ে ইসরাইলি ড্রোনের বিকট শব্দ চর্তুদিকে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
টায়ার শহরের পরিস্থিতি এখন এতটাই ভয়াবহ যে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যেও প্রতিনিয়ত মৃত্যুর আতঙ্ক কাজ করছে। শহরের একটি সাময়িক আশ্রয় কেন্দ্রের ঠিক পাশে একটি বিশাল কামানের গোলার অংশ এসে পড়লে সেখানে থাকা বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, যার ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা নারী ও শিশুদের কান্নায় পুরো এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। গত ২ মার্চের পর থেকে টায়ার শহরে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ ও নৃশংস হামলা বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এর আগেও শহরটি একাধিকবার আক্রান্ত হলেও রোববারের হামলার তীব্রতা ছিল নজিরবিহীন।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী লেবাননের জহরানি নদীর উত্তরের বাসিন্দাসহ সবাইকে এলাকা ছেড়ে পালানোর নির্দেশ দিয়ে ঘোষণা করেছে যে সমগ্র দক্ষিণ লেবানন এখন একটি সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্র। তবে জীবন বাঁচাতে সাধারণ মানুষের এই উত্তরমুখী যাত্রাও মোটেও নিরাপদ নয়। মূল মহাসড়কগুলোতে এবং টায়ার থেকে সিডন যাওয়ার পথে সাধারণ মানুষের যানবাহনগুলোকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালানো হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে লেবাননের মানুষ যেখানেই আশ্রয়ের খোঁজে যাচ্ছে, সেখানেই তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে মৃত্যু ও ধ্বংস। দক্ষিণ লেবাননে এখন সাধারণ বেসামরিক মানুষের জন্য সুরক্ষার সামান্যতম কোনো চিহ্নও অবশিষ্ট নেই।

আপনার মতামত লিখুন