ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে লেবাননে স্থল অভিযান আরও এগিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বেউফোর্ট ক্যাসেল এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর নতুন অবস্থান বজায় থাকবে। এই অঞ্চলটি ভবিষ্যতে একটি সম্প্রসারিত ‘নিরাপত্তা জোন’-এর অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা নিয়ে ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা করে আসছে।
এই সামরিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, দক্ষিণ লেবানন থেকে আসা ড্রোন হামলা এবং রকেট আক্রমণ কমানো, যা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত বলে ইসরাইল উল্লেখ করেছে। তবে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই নতুন সামরিক নির্দেশ ও বক্তব্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে এই কৌশল নিয়ে গভীর সন্দেহ ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, কেবল দক্ষিণ লেবাননে স্থল সেনা মোতায়েন বাড়িয়ে ড্রোন হামলা কার্যকরভাবে কমানো কঠিন হতে পারে, কারণ এসব ড্রোন প্রযুক্তিগতভাবে ভিন্নভাবে পরিচালিত এবং দূরবর্তী স্থান থেকেও নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলের ভেতরেই এই সামরিক কৌশল কতটা সফল হবে—তা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে ক্রমেই আলোচনা ও সমালোচনা বাড়ছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে লেবাননে স্থল অভিযান আরও এগিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের বেউফোর্ট ক্যাসেল এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর নতুন অবস্থান বজায় থাকবে। এই অঞ্চলটি ভবিষ্যতে একটি সম্প্রসারিত ‘নিরাপত্তা জোন’-এর অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা নিয়ে ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা করে আসছে।
এই সামরিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, দক্ষিণ লেবানন থেকে আসা ড্রোন হামলা এবং রকেট আক্রমণ কমানো, যা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুক্ত বলে ইসরাইল উল্লেখ করেছে। তবে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই নতুন সামরিক নির্দেশ ও বক্তব্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে এই কৌশল নিয়ে গভীর সন্দেহ ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, কেবল দক্ষিণ লেবাননে স্থল সেনা মোতায়েন বাড়িয়ে ড্রোন হামলা কার্যকরভাবে কমানো কঠিন হতে পারে, কারণ এসব ড্রোন প্রযুক্তিগতভাবে ভিন্নভাবে পরিচালিত এবং দূরবর্তী স্থান থেকেও নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলের ভেতরেই এই সামরিক কৌশল কতটা সফল হবে—তা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে ক্রমেই আলোচনা ও সমালোচনা বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন