বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এক্ষেত্রে জাহাজগুলোকে দুটি বিশেষ শর্ত মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোনো সামরিক জাহাজ এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাবে না।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রথমত শুধুমাত্র প্রণালির পূর্বনির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে, প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজকে এই জলপথ ব্যবহারের আগে আইআরজিসি নৌবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। এই দুই শর্ত পালনের মাধ্যমেই কেবল জাহাজগুলো এই কৌশলগত রুটটি ব্যবহার করতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করলে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধ শুরুর পর এই জলপথে অন্তত ১৯টি বেসামরিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে এবং যুক্তরাষ্ট্র যেন জোরপূর্বক এটি উন্মুক্ত করতে না পারে, সেজন্য ইরান সেখানে নৌ-মাইন পেতে রেখেছিল। দীর্ঘ স্থবিরতার পর অবশেষে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইল ও লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, এটি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা এবং লেবানন পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হলে যেকোনো সময় পুনরায় এই নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। আগামী ২০ এপ্রিল ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার আগে এই পদক্ষেপকে একটি বড় ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এক্ষেত্রে জাহাজগুলোকে দুটি বিশেষ শর্ত মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোনো সামরিক জাহাজ এই জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাবে না।
আইআরজিসি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রথমত শুধুমাত্র প্রণালির পূর্বনির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে, প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজকে এই জলপথ ব্যবহারের আগে আইআরজিসি নৌবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। এই দুই শর্ত পালনের মাধ্যমেই কেবল জাহাজগুলো এই কৌশলগত রুটটি ব্যবহার করতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করলে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধ শুরুর পর এই জলপথে অন্তত ১৯টি বেসামরিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে এবং যুক্তরাষ্ট্র যেন জোরপূর্বক এটি উন্মুক্ত করতে না পারে, সেজন্য ইরান সেখানে নৌ-মাইন পেতে রেখেছিল। দীর্ঘ স্থবিরতার পর অবশেষে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইল ও লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন।
আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, এটি একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা এবং লেবানন পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হলে যেকোনো সময় পুনরায় এই নৌপথ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। আগামী ২০ এপ্রিল ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার আগে এই পদক্ষেপকে একটি বড় ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন