তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশে একটি নতুন জাগরণ ও কৃষি বিপ্লব সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় একটি খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে দেশের অনেক খাল দখল ও ভরাট হয়ে গেছে, যেখানে অবৈধভাবে বাড়িঘর, দোকানপাট ও কলকারখানার বর্জ্য জমে খালগুলো মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালগুলো উদ্ধার করা হবে। বিশেষ করে রহমতখালী, ওয়াপদা খাল ও ভুলুয়া নদীসহ সংযুক্ত ছোট খালগুলো খননের আওতায় এনে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।
কৃষিকে জীবনধারণের প্রধান অবলম্বন হিসেবে উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নারিকেল, সুপারি, শাকসবজি ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পানির বিকল্প নেই। খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করা গেলে শুষ্ক মৌসুমেও কৃষক নিরবচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা পাবেন, যা জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। তিনি সাধারণ মানুষকে এই প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষ অংশে মন্ত্রী শিক্ষা খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষার মূল ভিত্তি। যদি প্রাথমিক স্তরে অবকাঠামো, শিক্ষক সংকট বা পাঠদানের অব্যবস্থাপনা থাকে, তবে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান খাল খনন কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশে একটি নতুন জাগরণ ও কৃষি বিপ্লব সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় একটি খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে দেশের অনেক খাল দখল ও ভরাট হয়ে গেছে, যেখানে অবৈধভাবে বাড়িঘর, দোকানপাট ও কলকারখানার বর্জ্য জমে খালগুলো মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালগুলো উদ্ধার করা হবে। বিশেষ করে রহমতখালী, ওয়াপদা খাল ও ভুলুয়া নদীসহ সংযুক্ত ছোট খালগুলো খননের আওতায় এনে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।
কৃষিকে জীবনধারণের প্রধান অবলম্বন হিসেবে উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নারিকেল, সুপারি, শাকসবজি ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পানির বিকল্প নেই। খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করা গেলে শুষ্ক মৌসুমেও কৃষক নিরবচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা পাবেন, যা জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। তিনি সাধারণ মানুষকে এই প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষ অংশে মন্ত্রী শিক্ষা খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষার মূল ভিত্তি। যদি প্রাথমিক স্তরে অবকাঠামো, শিক্ষক সংকট বা পাঠদানের অব্যবস্থাপনা থাকে, তবে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন