সৌদি আরব ২০২৬ সালের হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ভিজিট ভিসায় হজ পালনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো ধরনের ভিজিট ভিসা নিয়ে হজ পালন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং শুধুমাত্র বৈধ হজ পারমিটধারীরাই মক্কা ও পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। এই নিষেধাজ্ঞা জিলকদ মাসের শুরু থেকে জিলহজ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, যার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বের বৃহত্তম এই ধর্মীয় সমাবেশকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখা।
ঘোষিত নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ভিজিট ভিসাধারী ব্যক্তি এই আইন অমান্য করে মক্কায় প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা গুনতে হবে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা আরও কঠোর; অনুমতি ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা করলে তাদের গ্রেফতার করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ১০ বছরের জন্য তাদের সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। এছাড়া ওমরাহ ভিসাধারীদের জন্য দেশত্যাগের সময়সীমা ১৮ এপ্রিল শেষ হয়েছে এবং এরপর অবস্থান করা আইনত দণ্ডনীয় হবে।
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওমরাহ পারমিট ইস্যুও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। জিলকদ থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত মক্কায় প্রবেশাধিকার শুধুমাত্র নিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য সীমিত থাকবে। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া হজ পারমিট বিক্রির বিরুদ্ধেও কঠোর অভিযান শুরু করেছে পুলিশ, যার আওতায় ইতোমধ্যেই এক সুদানি প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যেকোনো অনিয়ম দেখলে নির্দিষ্ট জরুরি নম্বরে রিপোর্ট করতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরব ২০২৬ সালের হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ভিজিট ভিসায় হজ পালনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো ধরনের ভিজিট ভিসা নিয়ে হজ পালন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং শুধুমাত্র বৈধ হজ পারমিটধারীরাই মক্কা ও পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। এই নিষেধাজ্ঞা জিলকদ মাসের শুরু থেকে জিলহজ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, যার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বের বৃহত্তম এই ধর্মীয় সমাবেশকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখা।
ঘোষিত নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ভিজিট ভিসাধারী ব্যক্তি এই আইন অমান্য করে মক্কায় প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা গুনতে হবে। প্রবাসীদের ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা আরও কঠোর; অনুমতি ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা করলে তাদের গ্রেফতার করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ১০ বছরের জন্য তাদের সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। এছাড়া ওমরাহ ভিসাধারীদের জন্য দেশত্যাগের সময়সীমা ১৮ এপ্রিল শেষ হয়েছে এবং এরপর অবস্থান করা আইনত দণ্ডনীয় হবে।
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওমরাহ পারমিট ইস্যুও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। জিলকদ থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত মক্কায় প্রবেশাধিকার শুধুমাত্র নিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য সীমিত থাকবে। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া হজ পারমিট বিক্রির বিরুদ্ধেও কঠোর অভিযান শুরু করেছে পুলিশ, যার আওতায় ইতোমধ্যেই এক সুদানি প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যেকোনো অনিয়ম দেখলে নির্দিষ্ট জরুরি নম্বরে রিপোর্ট করতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন