গাজা উপত্যকায় অনুসৃত বিতর্কিত সামরিক নীতি এবার দক্ষিণ লেবাননে প্রয়োগ শুরু করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। লেবাননের সঙ্গে ১০ দিনের নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ। গত শনিবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এই সীমানা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো তথাকথিত ‘সন্ত্রাসীদের’ অনুপ্রবেশ ঠেকানো। গাজাতেও একইভাবে অঞ্চলটিকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে ফিলিস্তিনিদের চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে ইসরাইল।
বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে দক্ষিণ লেবাননের ‘গাজাকরণ’ হিসেবে দেখছেন। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সীমান্ত সংলগ্ন লেবাননের গ্রামগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা গাজার বেইত হ্যানুন বা রাফাহ মডেলের অনুরূপ। ইসরাইলের দাবি হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংস করাই তাদের লক্ষ্য, তবে যুদ্ধবিরতি চললেও শনিবার বেইত লিফ ও কানতারার মতো এলাকায় ইসরাইলি গোলন্দাজ বাহিনীর হামলা অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে হিজবুল্লাহর সাধারণ সম্পাদক নাঈম কাসেম এক টেলিভিশন ভাষণে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যুদ্ধবিরতি কেবল একতরফা হতে পারে না। তিনি ইসরাইলি সেনাদের পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, শত্রু পক্ষ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইল ১০ হাজারেরও বেশি বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সংকট নিরসনে ইসরাইলি ও লেবাননের শীর্ষ নেতারা আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে পারেন।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
গাজা উপত্যকায় অনুসৃত বিতর্কিত সামরিক নীতি এবার দক্ষিণ লেবাননে প্রয়োগ শুরু করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। লেবাননের সঙ্গে ১০ দিনের নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’ স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ। গত শনিবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এই সীমানা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো তথাকথিত ‘সন্ত্রাসীদের’ অনুপ্রবেশ ঠেকানো। গাজাতেও একইভাবে অঞ্চলটিকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে ফিলিস্তিনিদের চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে ইসরাইল।
বিশ্লেষকরা এই পদক্ষেপকে দক্ষিণ লেবাননের ‘গাজাকরণ’ হিসেবে দেখছেন। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সীমান্ত সংলগ্ন লেবাননের গ্রামগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা গাজার বেইত হ্যানুন বা রাফাহ মডেলের অনুরূপ। ইসরাইলের দাবি হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ধ্বংস করাই তাদের লক্ষ্য, তবে যুদ্ধবিরতি চললেও শনিবার বেইত লিফ ও কানতারার মতো এলাকায় ইসরাইলি গোলন্দাজ বাহিনীর হামলা অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে হিজবুল্লাহর সাধারণ সম্পাদক নাঈম কাসেম এক টেলিভিশন ভাষণে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যুদ্ধবিরতি কেবল একতরফা হতে পারে না। তিনি ইসরাইলি সেনাদের পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, শত্রু পক্ষ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইল ১০ হাজারেরও বেশি বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সংকট নিরসনে ইসরাইলি ও লেবাননের শীর্ষ নেতারা আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন