যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের দীর্ঘ যুদ্ধবিরতি আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে। সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সাধারণ ইরানিদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অনিশ্চয়তা ও শঙ্কার এক পরিবেশ বিরাজ করছে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার তথ্যমতে, দীর্ঘ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ভোগান্তিতে থাকা ইরানিদের একাংশ আশা করেছিলেন যে, আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধান হবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের মনে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের স্বপ্ন জাগিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই আশার বদলে এখন শুধুই হতাশা ও অনিশ্চয়তা কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানিরা শুধুমাত্র যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব নিয়েই আতঙ্কিত নন, বরং যেকোনো মুহূর্তে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে—এমন ভাবনা তাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। যুদ্ধবিরতি চলাকালেও তাদের এই শঙ্কা কাটেনি। এর আগে একাধিকবার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মধ্যেই ইরানিরা অপ্রত্যাশিত ও নজিরবিহীন বিমান হামলার শিকার হয়েছেন, যা তাদের বর্তমান উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
তবে উত্তেজনার এই আবহে সাধারণ ইরানিদের মধ্যে প্রতিরোধের আকাঙ্ক্ষাও লক্ষ্য করা গেছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ দিনরাত সরকারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে সংহতি প্রকাশ করে চলেছেন। একদিকে সম্ভাব্য হামলার ভয় এবং অন্যদিকে দেশপ্রেমের এই মিশ্র অনুভূতিই এখন দেশটির সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রবলভাবে দেখা দিচ্ছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের দীর্ঘ যুদ্ধবিরতি আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে। সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সাধারণ ইরানিদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অনিশ্চয়তা ও শঙ্কার এক পরিবেশ বিরাজ করছে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার তথ্যমতে, দীর্ঘ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ভোগান্তিতে থাকা ইরানিদের একাংশ আশা করেছিলেন যে, আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধান হবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের মনে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের স্বপ্ন জাগিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই আশার বদলে এখন শুধুই হতাশা ও অনিশ্চয়তা কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানিরা শুধুমাত্র যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব নিয়েই আতঙ্কিত নন, বরং যেকোনো মুহূর্তে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে—এমন ভাবনা তাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। যুদ্ধবিরতি চলাকালেও তাদের এই শঙ্কা কাটেনি। এর আগে একাধিকবার দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মধ্যেই ইরানিরা অপ্রত্যাশিত ও নজিরবিহীন বিমান হামলার শিকার হয়েছেন, যা তাদের বর্তমান উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
তবে উত্তেজনার এই আবহে সাধারণ ইরানিদের মধ্যে প্রতিরোধের আকাঙ্ক্ষাও লক্ষ্য করা গেছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ দিনরাত সরকারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে সংহতি প্রকাশ করে চলেছেন। একদিকে সম্ভাব্য হামলার ভয় এবং অন্যদিকে দেশপ্রেমের এই মিশ্র অনুভূতিই এখন দেশটির সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রবলভাবে দেখা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন