ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক বিবৃতিতে ইরানকে শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন যে তারা কোনো যুদ্ধ চান না। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, তাদের বর্তমান পদক্ষেপগুলো নিছক আত্মরক্ষার খাতিরে নেওয়া হয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই কোনো রাষ্ট্রকে আক্রমণ করেনি এবং বর্তমানেও কাউকে আক্রমণ করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের প্রতিটি পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বৈধ আত্মরক্ষা মাত্র। তার মতে, যেকোনো সাধারণ মানুষ যেভাবে আগ্রাসনের শিকার হলে রুখে দাঁড়ায়, ইরান একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঠিক সেভাবেই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেন। বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি দেশ দুটির কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি একে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের ‘দ্বিমুখী নীতি’র প্রমাণ হিসেবেও অভিহিত করেন।
ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তির প্রতি ইরানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিশ্ববাসীকে এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে ইরানকে যুদ্ধকামী রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করা ভুল। বরং তারা কেবল তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক বিবৃতিতে ইরানকে শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেছেন যে তারা কোনো যুদ্ধ চান না। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, তাদের বর্তমান পদক্ষেপগুলো নিছক আত্মরক্ষার খাতিরে নেওয়া হয়েছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই কোনো রাষ্ট্রকে আক্রমণ করেনি এবং বর্তমানেও কাউকে আক্রমণ করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের প্রতিটি পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বৈধ আত্মরক্ষা মাত্র। তার মতে, যেকোনো সাধারণ মানুষ যেভাবে আগ্রাসনের শিকার হলে রুখে দাঁড়ায়, ইরান একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঠিক সেভাবেই নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেন। বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলে তিনি দেশ দুটির কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি একে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের ‘দ্বিমুখী নীতি’র প্রমাণ হিসেবেও অভিহিত করেন।
ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং শান্তির প্রতি ইরানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিশ্ববাসীকে এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন যে ইরানকে যুদ্ধকামী রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করা ভুল। বরং তারা কেবল তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

আপনার মতামত লিখুন