মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনায় হঠাৎ ইরাক সফরে গেছেন ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি। শনিবার বাগদাদে পৌঁছে তিনি ইরাকের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরাকি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই ইসমাইল কানির প্রথম বিদেশ সফর। ইরাকি কর্মকর্তাদের মতে, কানির এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানের মিত্রদের সাথে অবস্থান সমন্বয় করা। বিশেষ করে এই সংবেদনশীল সময়ে ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতির যেন অবনতি না ঘটে, সেদিকেই নজর দিচ্ছে ইরান।
বর্তমানে ইরাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলছে। শিয়া দলগুলোর জোট 'কোঅর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্ক' সাবেক প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান-ঘনিষ্ঠ মালিকি পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে ইরাকের ওপর সব ধরনের মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ঘুচিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোও কানির সফরের অন্যতম এজেন্ডা।
ইরাকি রাজনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিচ্ছে যে, ট্রাম্পের হুমকির মুখে এবং কানির মধ্যস্থতায় কোঅর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্ক হয়তো খুব শিগগিরই মালিকির পরিবর্তে নতুন কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল সমীকরণে ইরাক যাতে নতুন কোনো সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত না হয়, তেহরান এখন সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনায় হঠাৎ ইরাক সফরে গেছেন ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি। শনিবার বাগদাদে পৌঁছে তিনি ইরাকের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরাকি উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই ইসমাইল কানির প্রথম বিদেশ সফর। ইরাকি কর্মকর্তাদের মতে, কানির এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানের মিত্রদের সাথে অবস্থান সমন্বয় করা। বিশেষ করে এই সংবেদনশীল সময়ে ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতির যেন অবনতি না ঘটে, সেদিকেই নজর দিচ্ছে ইরান।
বর্তমানে ইরাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলছে। শিয়া দলগুলোর জোট 'কোঅর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্ক' সাবেক প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান-ঘনিষ্ঠ মালিকি পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে ইরাকের ওপর সব ধরনের মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ঘুচিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোও কানির সফরের অন্যতম এজেন্ডা।
ইরাকি রাজনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিচ্ছে যে, ট্রাম্পের হুমকির মুখে এবং কানির মধ্যস্থতায় কোঅর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্ক হয়তো খুব শিগগিরই মালিকির পরিবর্তে নতুন কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের এই জটিল সমীকরণে ইরাক যাতে নতুন কোনো সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত না হয়, তেহরান এখন সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন