গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি দুই প্রধান স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ফাতাহ একটি বিরল বৈঠকে মিলিত হয়েছে। মিশরের দৈনিক আল-শোরুকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল ইস্যুগুলোতে সমঝোতায় পৌঁছাতে সাম্প্রতিক সময়ে তারা একাধিক দফা আলোচনা করেছে। এই বৈঠকে হামাসের অস্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কাঠামো তৈরি এবং গাজা শাসনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় ও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংগঠনটি রামাল্লাহভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এমনকি গাজায় শাসন-সংক্রান্ত সব ক্ষমতা তাদের কাছে হস্তান্তরের বিষয়েও হামাস নিজেদের প্রস্তুতি দেখিয়েছে। ফাতাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এবারের আলোচনার পরিবেশ আগের তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক ছিল এবং এটিই ছিল গাজার ভেতরে মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা।
উল্লেখ্য যে, ২০০৭ সালে একটি সহিংস অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হামাস গাজা থেকে ফাতাহকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করার পর থেকে ফিলিস্তিনি রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের বিভাজন বজায় রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই বৈঠকগুলোকে দুই পক্ষের মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এবং রাজনৈতিক বিভাজন দূর করার একটি সম্ভাব্য ও কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি দুই প্রধান স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ও ফাতাহ একটি বিরল বৈঠকে মিলিত হয়েছে। মিশরের দৈনিক আল-শোরুকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূল ইস্যুগুলোতে সমঝোতায় পৌঁছাতে সাম্প্রতিক সময়ে তারা একাধিক দফা আলোচনা করেছে। এই বৈঠকে হামাসের অস্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কাঠামো তৈরি এবং গাজা শাসনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় ও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংগঠনটি রামাল্লাহভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এমনকি গাজায় শাসন-সংক্রান্ত সব ক্ষমতা তাদের কাছে হস্তান্তরের বিষয়েও হামাস নিজেদের প্রস্তুতি দেখিয়েছে। ফাতাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এবারের আলোচনার পরিবেশ আগের তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক ছিল এবং এটিই ছিল গাজার ভেতরে মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা।
উল্লেখ্য যে, ২০০৭ সালে একটি সহিংস অভ্যুত্থানের মাধ্যমে হামাস গাজা থেকে ফাতাহকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করার পর থেকে ফিলিস্তিনি রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের বিভাজন বজায় রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই বৈঠকগুলোকে দুই পক্ষের মধ্যকার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এবং রাজনৈতিক বিভাজন দূর করার একটি সম্ভাব্য ও কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন