ঢাকা নিউজ

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার ট্রাম্পের নেই: পেজেশকিয়ান



ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার ট্রাম্পের নেই: পেজেশকিয়ান
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রোববার পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এই কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। পেজেশকিয়ান প্রশ্ন তোলেন, একটি জাতিকে তার বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে এবং কেন ইরান এই অধিকার ভোগ করতে পারবে না তার কোনো ব্যাখ্যা ট্রাম্প দেননি।

অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা কিছুটা এগোলেও চূড়ান্ত সমঝোতা এখনো অনেক দূরে। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না। গালিবাফ দাবি করেন, আলোচনার সময়ও যুক্তরাষ্ট্র প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে এবং অতীতের সংঘর্ষগুলোও একইভাবে শুরু হয়েছিল।

গালিবাফ আরও জানান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে আসা প্রস্তাবগুলো ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ পর্যালোচনা করেছে। তেহরান চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে বরং উত্তেজনা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই হিজবুল্লাহকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

পার্লামেন্ট স্পিকারের মতে, ইরান মাঠে শক্ত অবস্থানে থাকার কারণেই ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছেন। তবে কিছু মৌলিক বিষয়ে ইরান অনড় অবস্থানে থাকায় এবং উভয় পক্ষের নিজস্ব 'রেড লাইন' থাকায় আলোচনায় এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের এই চলমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার ট্রাম্পের নেই: পেজেশকিয়ান

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রোববার পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এই কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। পেজেশকিয়ান প্রশ্ন তোলেন, একটি জাতিকে তার বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে এবং কেন ইরান এই অধিকার ভোগ করতে পারবে না তার কোনো ব্যাখ্যা ট্রাম্প দেননি।

অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা কিছুটা এগোলেও চূড়ান্ত সমঝোতা এখনো অনেক দূরে। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না। গালিবাফ দাবি করেন, আলোচনার সময়ও যুক্তরাষ্ট্র প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে এবং অতীতের সংঘর্ষগুলোও একইভাবে শুরু হয়েছিল।

গালিবাফ আরও জানান, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে আসা প্রস্তাবগুলো ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ পর্যালোচনা করেছে। তেহরান চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে বরং উত্তেজনা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই হিজবুল্লাহকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

পার্লামেন্ট স্পিকারের মতে, ইরান মাঠে শক্ত অবস্থানে থাকার কারণেই ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছেন। তবে কিছু মৌলিক বিষয়ে ইরান অনড় অবস্থানে থাকায় এবং উভয় পক্ষের নিজস্ব 'রেড লাইন' থাকায় আলোচনায় এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের এই চলমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ