ইরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনার লক্ষ্যে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে যাচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় এই প্রতিনিধিদলটি ইসলামাবাদে পৌঁছাবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, এই দলে ট্রাম্পের বিশেষ উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারও থাকছেন, যারা পূর্ববর্তী দফার আলোচনাতেও সক্রিয় ছিলেন।
যদিও গত রোববার এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, নিরাপত্তার কারণে জেডি ভ্যান্স এই সফরে থাকছেন না, তবে পরবর্তী সময়ে হোয়াইট হাউস থেকে তার অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ট্রাম্প ভ্যান্সের প্রশংসা করে তাকে 'চমৎকার মানুষ' হিসেবে অভিহিত করেন। মূলত দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা প্রশমন এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোই এই সফরের মূল লক্ষ্য।
তবে এই আলোচনায় তেহরান শেষ পর্যন্ত অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় তারা কোনো সংলাপে যোগ দেবে না। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, আলোচনা ফলপ্রসূ হতে হলে আগে অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আলোচনাটি প্রায় ২১ ঘণ্টা স্থায়ী হলেও কোনো কার্যকর সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো ব্যাপক মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এমতাবস্থায় পাকিস্তানের এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে কতটুকু ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল বিরাজ করছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে নতুন দফার আলোচনার লক্ষ্যে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে যাচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় এই প্রতিনিধিদলটি ইসলামাবাদে পৌঁছাবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, এই দলে ট্রাম্পের বিশেষ উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারও থাকছেন, যারা পূর্ববর্তী দফার আলোচনাতেও সক্রিয় ছিলেন।
যদিও গত রোববার এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, নিরাপত্তার কারণে জেডি ভ্যান্স এই সফরে থাকছেন না, তবে পরবর্তী সময়ে হোয়াইট হাউস থেকে তার অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ট্রাম্প ভ্যান্সের প্রশংসা করে তাকে 'চমৎকার মানুষ' হিসেবে অভিহিত করেন। মূলত দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা প্রশমন এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোই এই সফরের মূল লক্ষ্য।
তবে এই আলোচনায় তেহরান শেষ পর্যন্ত অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় তারা কোনো সংলাপে যোগ দেবে না। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, আলোচনা ফলপ্রসূ হতে হলে আগে অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আলোচনাটি প্রায় ২১ ঘণ্টা স্থায়ী হলেও কোনো কার্যকর সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো ব্যাপক মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এমতাবস্থায় পাকিস্তানের এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিরসনে কতটুকু ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন