ওয়াশিংটনে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা হওয়া সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী স্থল অভিযান চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ। একই সঙ্গে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া লেবাননের বাসিন্দারা এখনই নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে পারবেন না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হওয়ার মাত্র একদিন পরেই ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে এই আগ্রাসী মন্তব্য এলো। উল্লেখ্য, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত হলো হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ এক বিবৃতিতে জানান, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ঘোষিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ তাদের সেনারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে, যার মধ্যে গত শনিবার দখল করা প্রায় ৯০০ বছর পুরোনো ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গ এলাকাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই অঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংসের অভিযান’ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরাইলের এমন স্বাধীনতা থাকবে যে, নিজেদের জনপদ বা ভূখণ্ডের সুরক্ষায় প্রয়োজনে তারা লেবাননের রাজধানী বৈরুতেও পুনরায় হামলা চালাতে পারবে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ওয়াশিংটনে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা হওয়া সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী স্থল অভিযান চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ। একই সঙ্গে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া লেবাননের বাসিন্দারা এখনই নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে পারবেন না বলেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হওয়ার মাত্র একদিন পরেই ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে এই আগ্রাসী মন্তব্য এলো। উল্লেখ্য, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত হলো হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ এক বিবৃতিতে জানান, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ঘোষিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ তাদের সেনারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে, যার মধ্যে গত শনিবার দখল করা প্রায় ৯০০ বছর পুরোনো ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গ এলাকাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওই অঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংসের অভিযান’ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরাইলের এমন স্বাধীনতা থাকবে যে, নিজেদের জনপদ বা ভূখণ্ডের সুরক্ষায় প্রয়োজনে তারা লেবাননের রাজধানী বৈরুতেও পুনরায় হামলা চালাতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন