যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং নিজের নীতিগত এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উচ্চ বেতনভোগী প্রায় ৮ হাজার ফেডারেল কর্মীকে সহজে বরখাস্ত করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউস ও অফিস অব পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (ওপিএম) থেকে প্রকাশিত এই আদেশের মাধ্যমে মূলত ট্রাম্পের নীতিবিরোধী হিসেবে বিবেচিত সরকারি কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে আনার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টাকে কার্যকর রূপ দেওয়া হলো।
নতুন এই আদেশের ফলে যেসব সরকারি কর্মী বছরে প্রায় ২ লাখ ডলার পর্যন্ত আয় করেন এবং নীতিনির্ধারণে ‘প্রভাব বিস্তারকারী’ হিসেবে বিবেচিত হন, তাদের প্রচলিত চাকরির সুরক্ষা অনেকাংশে প্রত্যাহার করা হবে। ওপিএম-এর পরিচালক স্কট কুপর এক ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট জানান, কোনো কর্মীর রাজনৈতিক মতাদর্শ যদি সরকারের আইনসম্মত নির্দেশনা ও নীতিনির্ধারণ বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে, তবে প্রশাসন তাদের চাকরিচ্যুত করার সুযোগ রাখবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতির মাধ্যমে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে বিরোধিতা করা ‘ক্যারিয়ার আমলাদের’ ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে এই নীতির আওতায় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার কর্মী আসার ধারণা করা হলেও আপাতত প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে এর অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই সংখ্যা বাড়ানোর তাৎক্ষণিক কোনো পরিকল্পনা নেই। এদিকে ফেডারেল কর্মী ইউনিয়নগুলো গত জানুয়ারি মাসেই এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, যা চূড়ান্ত পরিবর্তন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আদালত আপাতত স্থগিত রেখেছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং নিজের নীতিগত এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উচ্চ বেতনভোগী প্রায় ৮ হাজার ফেডারেল কর্মীকে সহজে বরখাস্ত করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউস ও অফিস অব পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (ওপিএম) থেকে প্রকাশিত এই আদেশের মাধ্যমে মূলত ট্রাম্পের নীতিবিরোধী হিসেবে বিবেচিত সরকারি কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে আনার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টাকে কার্যকর রূপ দেওয়া হলো।
নতুন এই আদেশের ফলে যেসব সরকারি কর্মী বছরে প্রায় ২ লাখ ডলার পর্যন্ত আয় করেন এবং নীতিনির্ধারণে ‘প্রভাব বিস্তারকারী’ হিসেবে বিবেচিত হন, তাদের প্রচলিত চাকরির সুরক্ষা অনেকাংশে প্রত্যাহার করা হবে। ওপিএম-এর পরিচালক স্কট কুপর এক ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট জানান, কোনো কর্মীর রাজনৈতিক মতাদর্শ যদি সরকারের আইনসম্মত নির্দেশনা ও নীতিনির্ধারণ বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে, তবে প্রশাসন তাদের চাকরিচ্যুত করার সুযোগ রাখবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতির মাধ্যমে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে বিরোধিতা করা ‘ক্যারিয়ার আমলাদের’ ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে এই নীতির আওতায় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার কর্মী আসার ধারণা করা হলেও আপাতত প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে এর অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই সংখ্যা বাড়ানোর তাৎক্ষণিক কোনো পরিকল্পনা নেই। এদিকে ফেডারেল কর্মী ইউনিয়নগুলো গত জানুয়ারি মাসেই এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে, যা চূড়ান্ত পরিবর্তন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আদালত আপাতত স্থগিত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন