পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে যেদিন সাজা দেওয়া হয়, সেই রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং উপস্থিত সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরাও অঝরে কেঁদেছিলেন। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সেই দিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, অন্যায় ও অপমানকর এই পরিস্থিতিতে সবাই অত্যন্ত বেদনাবিধুর হয়ে পড়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, মিথ্যা রায়ের পর বিচারক পালিয়ে গেলেও বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।
শিমুল বিশ্বাস তার বক্তব্যে ফ্যাসিবাদের সময়ে নিজের কারাবরণের কথা উল্লেখ করে জানান, খালেদা জিয়াকে জেলে নেওয়ার পরের দিনই তাকে বন্দী করা হয় এবং ৪১ দিন রিমান্ডসহ সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। তিনি বলেন, শত জুলুম ও অত্যাচারের মুখেও তারা দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে অবিচল ছিলেন। তার মতে, খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং তার দেখানো পথেই আন্দোলন এগিয়ে চলেছে।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার আহ্বানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করা হয়েছিল এবং সহস্রাধিক শহীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জীবন দিয়েছেন এই শ্রমিকরাই। সবার লক্ষ্য ছিল একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
সবশেষে তিনি উল্লেখ করেন, যারা একসময় খালেদা জিয়াকে অপমান করেছিল, শেষ পর্যন্ত তারাও তাকে সম্মান প্রদর্শন করতে বাধ্য হয়েছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এবং কারও কাছে নত হবে না। খালেদা জিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জীবনভর লড়াই করেছেন এবং এই স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে যেদিন সাজা দেওয়া হয়, সেই রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং উপস্থিত সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরাও অঝরে কেঁদেছিলেন। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সেই দিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, অন্যায় ও অপমানকর এই পরিস্থিতিতে সবাই অত্যন্ত বেদনাবিধুর হয়ে পড়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, মিথ্যা রায়ের পর বিচারক পালিয়ে গেলেও বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন।
শিমুল বিশ্বাস তার বক্তব্যে ফ্যাসিবাদের সময়ে নিজের কারাবরণের কথা উল্লেখ করে জানান, খালেদা জিয়াকে জেলে নেওয়ার পরের দিনই তাকে বন্দী করা হয় এবং ৪১ দিন রিমান্ডসহ সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। তিনি বলেন, শত জুলুম ও অত্যাচারের মুখেও তারা দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে অবিচল ছিলেন। তার মতে, খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং তার দেখানো পথেই আন্দোলন এগিয়ে চলেছে।
সংসদ সদস্য আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার আহ্বানে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করা হয়েছিল এবং সহস্রাধিক শহীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জীবন দিয়েছেন এই শ্রমিকরাই। সবার লক্ষ্য ছিল একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
সবশেষে তিনি উল্লেখ করেন, যারা একসময় খালেদা জিয়াকে অপমান করেছিল, শেষ পর্যন্ত তারাও তাকে সম্মান প্রদর্শন করতে বাধ্য হয়েছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এবং কারও কাছে নত হবে না। খালেদা জিয়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জীবনভর লড়াই করেছেন এবং এই স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।

আপনার মতামত লিখুন