যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসতে রাজি হলেও সেটি 'যেকোনো মূল্যে' হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরান। সোমবার (২০ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরান আলোচনার সিদ্ধান্ত নিলেও তার অর্থ এই নয় যে অন্য পক্ষের দেওয়া সব পদ্ধতি বা শর্ত তারা মেনে নেবে। তেহরান কিছু নির্দিষ্ট 'রেডলাইন' বা সীমা নির্ধারণ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মানতে হবে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আলোচনার জন্য প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে বিপ্লবী গার্ডের সাবেক এই কমান্ডার জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তেহরান কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত পায় কি না তার ওপর। আজিজি বলেন, "আমরা কখনোই আলোচনার নীতিতে ভয় পাইনি। যদি মার্কিন প্রতিনিধি দল ইরান থেকে প্রাপ্ত বার্তাগুলোর সঠিক মূল্যায়ন করে এবং ইতিবাচক সংকেত দেয়, তবে আজ বা কালকের মধ্যেই আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।"
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকালই ঘোষণা করেছেন যে, আলোচনার জন্য তার প্রতিনিধি দল সোমবার ইসলামাবাদে পৌঁছাবে। তবে আলোচনার আবহের মধ্যেই তিনি ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের শর্ত অনুযায়ী চুক্তি না হলে ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংস করে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের এমন ধ্বংসাত্মক হুমকির মুখেও ইরান তাদের 'রেডলাইন' রক্ষায় অনড় অবস্থানে রয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই বিপরীতমুখী অবস্থান এবং চরম উত্তেজনার ফলে ইসলামাবাদের এই সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা এখন এক কঠিন সমীকরণের মুখোমুখি। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজার এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এই কূটনৈতিক তৎপরতার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক মহল।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসতে রাজি হলেও সেটি 'যেকোনো মূল্যে' হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইরান। সোমবার (২০ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরান আলোচনার সিদ্ধান্ত নিলেও তার অর্থ এই নয় যে অন্য পক্ষের দেওয়া সব পদ্ধতি বা শর্ত তারা মেনে নেবে। তেহরান কিছু নির্দিষ্ট 'রেডলাইন' বা সীমা নির্ধারণ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মানতে হবে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আলোচনার জন্য প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে বিপ্লবী গার্ডের সাবেক এই কমান্ডার জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তেহরান কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত পায় কি না তার ওপর। আজিজি বলেন, "আমরা কখনোই আলোচনার নীতিতে ভয় পাইনি। যদি মার্কিন প্রতিনিধি দল ইরান থেকে প্রাপ্ত বার্তাগুলোর সঠিক মূল্যায়ন করে এবং ইতিবাচক সংকেত দেয়, তবে আজ বা কালকের মধ্যেই আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।"
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকালই ঘোষণা করেছেন যে, আলোচনার জন্য তার প্রতিনিধি দল সোমবার ইসলামাবাদে পৌঁছাবে। তবে আলোচনার আবহের মধ্যেই তিনি ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের শর্ত অনুযায়ী চুক্তি না হলে ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংস করে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের এমন ধ্বংসাত্মক হুমকির মুখেও ইরান তাদের 'রেডলাইন' রক্ষায় অনড় অবস্থানে রয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই বিপরীতমুখী অবস্থান এবং চরম উত্তেজনার ফলে ইসলামাবাদের এই সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা এখন এক কঠিন সমীকরণের মুখোমুখি। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজার এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এই কূটনৈতিক তৎপরতার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন