গত ৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ইরান ভূপাতিত করার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর ট্রাম্প কয়েক ঘণ্টা ধরে তার সহযোগীদের ওপর চিৎকার করে রাগ ঝাড়েন। এমনকি যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধারে যখন মার্কিন স্পেশাল ইউনিট বিশাল অভিযান শুরু করে, তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে 'সিচুয়েশন রুম' থেকে বাইরে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার অভিযানে তার অধৈর্য্যতা যেন ব্যাঘাত না ঘটায়, সেজন্যই কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পরপরই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে তীব্র অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দ্রুত যুদ্ধবিরতি করতে উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও অবাক হয়ে গেছেন যে ইরান কত দ্রুত এবং সহজে এই জলপথটি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের সক্ষমতা দেখে খোদ ট্রাম্পও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, “শুধুমাত্র ড্রোন দিয়েই একজন কীভাবে হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে।” মূলত ইরানের এই রণকৌশল এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার মার্কিন প্রশাসনকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। বর্তমানে একদিকে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ—সব মিলিয়ে হোয়াইট হাউস এক অস্থির সময় পার করছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
গত ৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ইরান ভূপাতিত করার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর ট্রাম্প কয়েক ঘণ্টা ধরে তার সহযোগীদের ওপর চিৎকার করে রাগ ঝাড়েন। এমনকি যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধারে যখন মার্কিন স্পেশাল ইউনিট বিশাল অভিযান শুরু করে, তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে 'সিচুয়েশন রুম' থেকে বাইরে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার অভিযানে তার অধৈর্য্যতা যেন ব্যাঘাত না ঘটায়, সেজন্যই কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পরপরই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে তীব্র অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দ্রুত যুদ্ধবিরতি করতে উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও অবাক হয়ে গেছেন যে ইরান কত দ্রুত এবং সহজে এই জলপথটি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের সক্ষমতা দেখে খোদ ট্রাম্পও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, “শুধুমাত্র ড্রোন দিয়েই একজন কীভাবে হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে।” মূলত ইরানের এই রণকৌশল এবং ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার মার্কিন প্রশাসনকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। বর্তমানে একদিকে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ—সব মিলিয়ে হোয়াইট হাউস এক অস্থির সময় পার করছে।

আপনার মতামত লিখুন