যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানি বার্তাসংস্থা মিজান নিউজের তথ্য অনুযায়ী, কথোপকথনের সময় পেজেশকিয়ান আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ করতে পারে, যেমনটা তারা অতীতেও করেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার পরিবেশ চলাকালীনও যুক্তরাষ্ট্র ‘গুণ্ডামিমূলক ও অযৌক্তিক’ আচরণ করছে। ওয়াশিংটনের এমন আচরণ তেহরানের মনে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে যে, মার্কিনিরা আলোচনার চেয়ে পুনরায় হামলা চালাতেই বেশি আগ্রহী। এই টেলিআলাপের পর পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার কোনো সুনির্দিষ্ট উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে প্রতিনিধি পাঠানোর ঘোষণা দিলেও ইরান এই আলোচনায় অংশ না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ফার্স ও তাসনিম নিউজের ‘অজ্ঞাত’ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সামগ্রিক পরিস্থিতি আলোচনার জন্য ইতিবাচক নয়। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট পূর্বশর্ত দেওয়া হয়েছে যে, সংলাপ শুরু করতে হলে আগে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে গত রবিবার মার্কিন নৌবাহিনী কর্তৃক ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দের ঘটনা। তেহরান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। একদিকে যখন ইসলামাবাদে কূটনৈতিক বৈঠকের তোড়জোড় চলছে, অন্যদিকে সমুদ্রপথে এই নতুন উত্তেজনা শান্তি আলোচনাকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানি বার্তাসংস্থা মিজান নিউজের তথ্য অনুযায়ী, কথোপকথনের সময় পেজেশকিয়ান আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ করতে পারে, যেমনটা তারা অতীতেও করেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার পরিবেশ চলাকালীনও যুক্তরাষ্ট্র ‘গুণ্ডামিমূলক ও অযৌক্তিক’ আচরণ করছে। ওয়াশিংটনের এমন আচরণ তেহরানের মনে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে যে, মার্কিনিরা আলোচনার চেয়ে পুনরায় হামলা চালাতেই বেশি আগ্রহী। এই টেলিআলাপের পর পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার কোনো সুনির্দিষ্ট উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে প্রতিনিধি পাঠানোর ঘোষণা দিলেও ইরান এই আলোচনায় অংশ না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। ফার্স ও তাসনিম নিউজের ‘অজ্ঞাত’ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সামগ্রিক পরিস্থিতি আলোচনার জন্য ইতিবাচক নয়। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট পূর্বশর্ত দেওয়া হয়েছে যে, সংলাপ শুরু করতে হলে আগে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে গত রবিবার মার্কিন নৌবাহিনী কর্তৃক ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দের ঘটনা। তেহরান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। একদিকে যখন ইসলামাবাদে কূটনৈতিক বৈঠকের তোড়জোড় চলছে, অন্যদিকে সমুদ্রপথে এই নতুন উত্তেজনা শান্তি আলোচনাকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন