ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বুধবার মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শুনানিতে আইনপ্রণেতাদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই হোয়াইট হাউজের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন।
শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে আর কোনো ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে না, কারণ এই বিশেষ অভিযানটির সমাপ্তি ঘটেছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আর চলমান আক্রমণাত্মক অভিযানের অংশ হবে না, বরং কেবল আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হবে।
রুবিওর দাবি অনুযায়ী, ইরানে মার্কিন এই সামরিক অভিযানটি তার নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ সফল হয়েছে। অভিযানের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী সফলভাবে ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্প ঘাঁটির একটি বড় অংশ ধ্বংস করতে পেরেছে এবং একই সঙ্গে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও ড্রোন মজুত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে এনেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ, অঞ্চলে নতুন করে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই বড় ঘোষণাটি এলো। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের এই নতুন অবস্থান আঞ্চলিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বুধবার মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শুনানিতে আইনপ্রণেতাদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই হোয়াইট হাউজের এই অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন।
শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে আর কোনো ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে না, কারণ এই বিশেষ অভিযানটির সমাপ্তি ঘটেছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আর চলমান আক্রমণাত্মক অভিযানের অংশ হবে না, বরং কেবল আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হবে।
রুবিওর দাবি অনুযায়ী, ইরানে মার্কিন এই সামরিক অভিযানটি তার নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ সফল হয়েছে। অভিযানের মাধ্যমে মার্কিন বাহিনী সফলভাবে ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্প ঘাঁটির একটি বড় অংশ ধ্বংস করতে পেরেছে এবং একই সঙ্গে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও ড্রোন মজুত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে এনেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ, অঞ্চলে নতুন করে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই বড় ঘোষণাটি এলো। বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের এই নতুন অবস্থান আঞ্চলিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন