ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সম্প্রতি ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইবিসিসিআই)-এর নবনিযুক্ত পরিচালক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) ভারতীয় হাইকমিশনের এক বার্তায় জানানো হয়েছে, হাইকমিশনার দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করতে আইবিসিসিআই-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বৃহত্তর বিনিয়োগ ও ভ্যালু চেইন ইন্টিগ্রেশনে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে একটি ভবিষ্যৎমুখী অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রণয় ভার্মা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি ও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণে নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এক অনন্য অবস্থানে রয়েছে। সভায় দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, বিশেষ করে ভারতীয় রুপিতে বাণিজ্য নিষ্পত্তির নতুন প্রক্রিয়া এবং স্থল শুল্ক বন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হাইকমিশনার একটি স্থিতিশীল ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
৫০০টিরও বেশি কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম আইবিসিসিআই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে দীর্ঘকাল ধরে কাজ করে আসছে। এই সভায় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে উন্নীত করার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। উভয় পক্ষই বাণিজ্য সহজীকরণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সম্প্রতি ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইবিসিসিআই)-এর নবনিযুক্ত পরিচালক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) ভারতীয় হাইকমিশনের এক বার্তায় জানানো হয়েছে, হাইকমিশনার দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করতে আইবিসিসিআই-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বৃহত্তর বিনিয়োগ ও ভ্যালু চেইন ইন্টিগ্রেশনে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে একটি ভবিষ্যৎমুখী অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রণয় ভার্মা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি ও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীকরণে নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এক অনন্য অবস্থানে রয়েছে। সভায় দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, বিশেষ করে ভারতীয় রুপিতে বাণিজ্য নিষ্পত্তির নতুন প্রক্রিয়া এবং স্থল শুল্ক বন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হাইকমিশনার একটি স্থিতিশীল ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
৫০০টিরও বেশি কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম আইবিসিসিআই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে দীর্ঘকাল ধরে কাজ করে আসছে। এই সভায় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে উন্নীত করার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। উভয় পক্ষই বাণিজ্য সহজীকরণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

আপনার মতামত লিখুন