মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেও একে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী এই ঘোষণাকে 'অর্থহীন' বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, একটি পরাজিত পক্ষ কখনোই অন্য পক্ষের ওপর কোনো শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। মোহাম্মদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমাবর্ষণের চেয়ে কম কিছু নয় এবং এর জবাব অবশ্যই সামরিকভাবে দেওয়া হবে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইরানের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত মার্কিন সেনাবাহিনী দেশটিতে কোনো সরাসরি হামলা চালাবে না। তবে ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধে তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সব দিক থেকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরান এই যুদ্ধবিরতিকে কেবল একটি 'সময় কেনার অপকৌশল' হিসেবে দেখছে। মাহদি মোহাম্মদীর দাবি, ট্রাম্প মূলত একটি আকস্মিক ও বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যই এই সাময়িক বিরতির নাটক সাজাচ্ছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মার্কিন এই কৌশলের বিপরীতে ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা বড় কোনো সামরিক উদ্যোগ নেওয়ার সময় এখন চলে এসেছে।
বর্তমানে এই যুদ্ধবিরতির কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করায় এটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ইরানের অনড় অবস্থান এবং মার্কিন নৌ অবরোধ বজায় থাকায় ওই অঞ্চলে উত্তেজনা কমার পরিবর্তে আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য যৌথ হামলার হুমকির মুখেই এমন পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি বিনিময় চলছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেও একে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী এই ঘোষণাকে 'অর্থহীন' বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, একটি পরাজিত পক্ষ কখনোই অন্য পক্ষের ওপর কোনো শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। মোহাম্মদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমাবর্ষণের চেয়ে কম কিছু নয় এবং এর জবাব অবশ্যই সামরিকভাবে দেওয়া হবে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইরানের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত মার্কিন সেনাবাহিনী দেশটিতে কোনো সরাসরি হামলা চালাবে না। তবে ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধে তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সব দিক থেকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরান এই যুদ্ধবিরতিকে কেবল একটি 'সময় কেনার অপকৌশল' হিসেবে দেখছে। মাহদি মোহাম্মদীর দাবি, ট্রাম্প মূলত একটি আকস্মিক ও বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্যই এই সাময়িক বিরতির নাটক সাজাচ্ছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মার্কিন এই কৌশলের বিপরীতে ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা বড় কোনো সামরিক উদ্যোগ নেওয়ার সময় এখন চলে এসেছে।
বর্তমানে এই যুদ্ধবিরতির কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করায় এটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ইরানের অনড় অবস্থান এবং মার্কিন নৌ অবরোধ বজায় থাকায় ওই অঞ্চলে উত্তেজনা কমার পরিবর্তে আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য যৌথ হামলার হুমকির মুখেই এমন পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি বিনিময় চলছে।

আপনার মতামত লিখুন